দিন দর্পণ, ৪এপ্রিলঃ ৩রা মার্চ সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে ২৬হাজার (২৫,৩২৭জন)শিক্ষকের চাকরি বাতিল নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করলেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার।তিনি চাকরি হারাদের উদ্দেশ্যে বলেন হতাশ হবেন না।আইনজীবীদের সাথে আলোচনা চলছে।সরকারের চিঠি পেয়েছি।সুপ্রিম কোর্টের রায় মেনে নিয়োগ প্রকিয়া শুরু করতে হবে।তবে এই তিন মাসের মধ্যে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্ভব নয়।বিজ্ঞপ্তি, পরীক্ষা, তার ফলাফল, ইন্টারভিইউ, প্যানেল পাবলিশ করা আছে।তাই ৩ মাসের মধ্যে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া করা সম্ভব নয়।
যাঁরা আইনগতভাবে চাকরি পেয়েছেন তাঁদের ছাড় দিতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।আমাদের এই বিষয়ে আইনজীবীদের পরামর্শ নিতে হবে।আদালতের ব্যাখ্যাও নিতে হতে পারে।আমরা প্রস্তুতি নিয়ে রাখছি।যুদ্ধকালীন প্রস্তুতিতে কাজ করতে হবে।সেই বার্তাই আমাদের সহকর্মীদের দিয়েছি।এসএসসি চেয়ারম্যান আরও বলেন, ক্লারিফিকেশন পাওয়া অধি উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়।কারা অংশ গ্রহণ করবে? সবাই অংশ গ্রহণ করবে? নাকি যারা ছিলেন তাঁরা? এই বিষয়গুলি জানার ব্যাপার আছে।রায়ে কিছু স্পষ্ট করে উল্লেখ নেই এই বিষয়ে।
কেউ যদি অন্য চাকরি থেকে এসে থাকে এই তথ্য আমাদের কাছে আছে বলে মনে হয় না।এটা তার পক্ষেই জানা সম্ভব।সেক্ষেত্রে তিনিই আবেদন করবেন।ওই দফতরের একটা কর্ত্যব্য নিয়োগ করা।সেটার একটা সময়সীমাও দেওয়া আছে।এসএসসি চেয়ারম্যান বলেন, রিভিউ পিটিশনের ব্যাপারে এখনই কিছু বলা সম্ভব নয়।মোট কত প্রাথী, এই সব কিছুর উপর নিয়োগ প্রক্রিয়া নির্ভর করবে।৩ মাসে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্ভব নয়।এটা আদালতের রায়ে কোথাও বলা নেই।
