ঘিবলি ট্রেন্ড উর্দ্ধমুখী গোটা বিশ্বে


দিন দর্পণ, ৪এপ্রিলঃ বিগত কয়েকদিন থেকে ঘিবলি ট্রেন্ডে গা ভাসিয়েছে গোটা বিশ্ব।কমবেশি প্রায় প্রত্যেকেই এই আর্টের সঙ্গে পরিচিত হয়েছেন।গোটা বিশ্বই যেন এখন কার্টুন অবতারে পরিণত হয়েছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এমনকি লিওনেল মেসি, কেউই বাদ পরেননি এই ঘিবলি ট্রেন্ড থেকে।প্রত্যেকেই তাদের কার্টুন ছবি পোস্ট করেছেন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে।কিন্তু এই ঘিবলি আর্ট আসলেই কি চলুন জেনে নেওয়া যাক। 

ঘিবলি আসলে একটি অ্যানিমেশন স্টুডিয়োর নাম।এই স্টুডিয়োর জন্ম হয় ১৯৮৫ সালে, জাপানের টোকিওতে। মূলত উজ্জ্বল জলরঙ দিয়ে আঁকা কিংবা আক্রেলিক রঙ দিয়ে হাতে আঁকা হত স্টুডিয়োর সমস্ত অ্যানিমেশন।ক্রমেই এই অ্যানিমেশনের জনপ্রিয়তা জাপানের গণ্ডি ছাড়িয়ে পৌঁছে যায় আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে।ওয়াল্ট ডিজনি প্রস্তাব দেয় অংশীদারির।ফলে ধীরে ধীরে গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে এই ঘিবলির কার্টুন।

এই শধের সবথেকে প্রাচীন উল্লেখ পাওয়া যায় আরব্য শধ ‘জিবলি’-তে।এই নামের অর্থ হল সাহারা মরুভুমির উত্তপ্ত এবং শুষ্ক হাওয়াকে বোঝানর জন্য।ঘিবলির জনপ্রিয়তা ঠিক কতখানি তা দেখা যাক।গত ৩৮ বছরে হাতেগোনা ২২টি ছবি তৈরি করেছে ঘিবলি স্টুডিয়ো।টেলিভিশনের জন্য তাঁরা বানিয়েছিল ৩টি ছবি।আর সেই ছবির প্রত্যেকটি অ্যানিমেশন দুনিয়ায় প্রবল আদৃত।ঘিবলির ছবি অস্কার, গোল্ডেন বিয়ার, বাফতা, গোল্ডেন গ্লোব প্রতিটি পুরস্কারই জিতেছে।

সম্প্রতি ওপেন এআই-এর চ্যাটজিপিটির ব্যবহারকারীরা দেখতে পান তাঁরা নিজেদের ছবি ঘিবলি অ্যানিমেশনে বদলে নিতে পারছেন।এরপরেই ঘিবলি আর্টের চাহিদা তুঙ্গে ওঠে।এই প্রসঙ্গে অল্টম্যান জানান, ঘিবলি ছবির চাহিদা সামাল দিতে রীতিমত হিমশিম খেতে হচ্ছে।ফলে চ্যাটজিপিটির গ্রাফিক প্রসেসিং ইউনিট গলে আসছে।তাই জনতার উদ্দেশে এই ছবির ব্যবহারে রাশ টানার আর্জি জানান তিনি।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *