দিন দর্পণ, নয়াদিল্লিঃ চাকরি গেল ২৫,৭৫২ জন শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মীর।২০১৬ সালে এসএসসি-র নিয়োগের পুরো প্যানেল বাতিল করে দেওয়া হল।বৃহস্পতিবার সকালে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চে এই সিদ্ধান্ত নেয়।বিচারপতি সঞ্জীব খান্না স্পষ্ট ভাবে বলেন,গোটা প্রক্রিয়ায় কারচুপি করা হয়েছে, কোনও বিশ্বাসযোগ্যতা নেই।কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করার কোনও প্রয়োজনীয়তা বোধ করছি না।আদালতের নির্দেশ, আগামী তিন মাসের মধ্যে নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।
এদিনের ঘোষিত রায়ে বলা হয়েছে, যোগ্য-অযোগ্য বাছাই করা সম্ভব হয়নি।২০১৬ সালের এসএসসি পেয়ে যাঁরা চাকরি করছিলেন, তাঁরা নতুন নিয়োগপ্রক্রিয়ায় যোগ্যতা পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারবেন বলেও জানিয়েছে শীর্ষ আদালত।যাঁরা অন্য সরকারি চাকরি ছেড়ে ২০১৬ সালের এসএসসির মাধ্যমে স্কুলের চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন, তাঁরা পুরনো চাকরিতে ফিরে যেতে পারবেন।চিহ্নিত অযোগ্যরা আর পরীক্ষায় বসতে পারবেন না।১২ শতাংশ হারে সুদ-সহ বেতন ফেরত দিতে বলা হয়েছে তাঁদের।কীভাবে নির্বাচন প্রক্রিয়া হবে, কারা পরীক্ষায় বসতে পারবেন, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়নি।
২০১৬ সালের এসএসসি-র শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল।কলকাতা হাই কোর্ট এই সংক্রান্ত শুনানির পর ২০১৬ সালের সম্পূর্ণ নিয়োগপ্রক্রিয়াই বাতিল করে দিয়েছিল।এর ফলে ২৫,৭৫৩ জনের চাকরি যায়।পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়।প্রসঙ্গত, ফেব্রুয়ারিতেই এই মামলার শুনানি শেষ করে রায় ঘোষণা স্থগিত রেখেছিল আদালত।বুধবার জানানো হয়, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ এই মামলার রায় ঘোষণা করবে।সেইমতোই সময়সীমা মেনেই ঘোষিত হয় রায়।
