দিন দর্পণ, নয়াদিল্লিঃ তীব্র দাবদাহে জ্বলছে পৃথিবী।তারপরও কোনও মাথাব্যাথা নেই মানুষের।এমন সময়ে বনাঞ্চল ধ্বংসের মামলায় সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, গাছ কেটে ফেলা মানুষ খুনের থেকেও বড় অপরাধ।বনাঞ্চল ধ্বংস করা মানুষকেও ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।সর্বোচ্চ আদালত একটি গাছপিছু এক লক্ষ করে টাকা জরিমানা করল।
বর্তমান মামলায় সংরক্ষিত এলাকার প্রায় সাড়ে চারশোরও বেশি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ।তাজমহলের কাছে সাড়ে ১০ হাজার স্কোয়্যার কিমি অঞ্চল জুড়ে রয়েছে ‘তাজ ট্র্যাপিজিয়াম জোন’।এই অঞ্চলের সবুজ তাজমহলকে দূষণ থেকে রক্ষা করে।শিবশঙ্কর আগারওয়াল নামে এক ব্যক্তি এই তাজ ট্র্যাপিজিয়াম জোনের ৪৫৪ টি গাছ কেটে ফেলেছেন।তাঁর বিরুদ্ধে মামলার শুনানি ছিল বিচারপতি অভয় এস ওকা এবং বিচারপতি উজ্জ্বল ভুঁইয়ার ডিভিশন বেঞ্চে।সেই মামলায় সুপ্রিম পর্যবেক্ষণ, ৪৫৪টি গাছ থেকে পরিবেশের যে মঙ্গল হত, তা পুনরুদ্ধার করতে অন্তত ১০০ বছর লেগে যাবে।অথচ সেই গাছগুলি কাটার জন্য কারও অনুমতির তোয়াক্কাই করেননি অভিযুক্ত!
সুপ্রিম নির্দেশ, মথুরা-বৃন্দাবনে ডালমিয়া ফার্মসের ৪৫৪টি গাছ কাটার জন্য শিবশঙ্কর আগরওয়ালকে একটি গাছপিছু এক লক্ষ টাকা করে জরিমানা দিতে হবে।অভিযুক্তের আইনজীবী মক্কেলের দোষ স্বীকার করেছেন।আবেদন করেন, জরিমানার অঙ্ক অত্যাধিক বেশি, তা কমানো হোক।যদিও সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।উল্লেখ্য, সুপ্রিম নির্দেশেই ২০১৯ সালে তাজমহলকে দূষণ থেকে বাঁচাতে ‘তাজ ট্র্যাপিজিয়াম জোন’ গঠিত হয়।নিয়ম অনুযায়ী, ‘তাজ ট্র্যাপিজিয়াম জোন’-এর ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত মালিকানাধীন জমি নয় এমন জায়গা থেকে গাছ কাটার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হয়।
