দিন দর্পণ, কলকাতাঃ গতবছর অর্থাৎ ২০২৪ সাল থেকে শুরু হয়েছে নতুন পদ্ধতিতে উচ্চ মাধ্যমিকের সিমেস্টার পদ্ধতিতে পড়াশোনা।এই সিমেস্টার পদ্ধতি আসার পরে পাঠ্যক্রমেও ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে।নতুন পাঠ্যক্রম অনুযায়ী তৃতীয় সিমেস্টার হবে এমসিকিউ-এর উপরে।যার জন্য প্রয়োজন নতুন পাঠ্যবই।উচ্চ মাধ্যমিকের তৃতীয় সিমেস্টারের পাঠ্যবই রিভিউ করতে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদে অনেক দিন আগেই দিয়ে দিয়েছেন প্রকাশকেরা।কিন্তু, এবার সেই বইয়ের অধিকাংশই পড়ে রয়েছে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের অফিসে।তার কারণ, বইয়ের যারা রিভিউ করবেন, তাদের অনেকেই ব্যস্থ উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার নজরদারিতে ব্যস্ত।তাই পরীক্ষার পরেই সেই পাঠ্যবইয়ের রিভিউয়ের কাজ শুরু হবে।
কিন্তু এখন প্রশ্ন হচ্ছে অদৌও পড়ুয়ারা এই পাঠ্যবই পড়ার সুযোগ পাবে তো?সে বিষয়েই উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য পড়ুয়াদের আশ্বাস দিয়ে বলেছেন দুশ্চিন্তার কোনও কারণ নেই।ঠিক সময়েই তৃতীয় সেমিস্টারের সমস্ত পাঠ্যবই বাজারে আসবে।এছাড়াও বেশ কিছু বইয়ের টেক্সট বুক নম্বর ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে।২০২৪ সাল থেকে শুরু হয়েছে উচ্চ মাধ্যমিকের সিমেস্টার পদ্ধতিতে পড়াশোনা।এই সিমেস্টার পদ্ধতি আসার পরে পাঠ্যক্রমেও ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে।নতুন পাঠ্যক্রম অনুযায়ী তৃতীয় সিমেস্টার হবে এমসিকিউ-এর উপরে।যার কারণে প্রয়োজন নতুন পাঠ্যবই।অভিযোগ, সেই বই এখনও পর্যন্ত বাজারে এসেছে গুটি কয়েক।
তৃতীয় সিমেস্টারের বই প্রকাশকদের অনেকের দাবি, তাঁরা বই জমা দিয়েছেন জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে।উচ্চ মাধ্যমিক শুরুর আগে তো অনেক সময় ছিল।সংসদ জানাচ্ছে, কোনও পাঠ্যবই যখন কোনও বেসরকারি প্রকাশকের থেকে নেওয়া হয়, তখন তা একাধিক বার রিভিউ করতে হয়।এক জন প্রকাশক প্রথমে কোনও পাঠ্যবই জমা দেওয়ার পরে সেই বই যায় এক জন রিভিউয়ারের কাছে।বই পড়ে কোনও সংশোধন করার থাকলে তার উল্লেখ করেন তিনি।সংশোধন করে প্রকাশক ফের সংসদে জমা দেন।সেই বই আবার রিভিউয়ারের কাছে যায়।প্রয়োজন হলে আবার সংশোধন করার কথা বলা হয় প্রকাশককে।ফের সেই সংশোধন হয়ে গেলে প্রকাশককে বই সংসদে জমা দিতে হয়।রিভিউয়ার কমিটি সেই বই দেখে সন্তুষ্ট হলে টেক্সট বুক নম্বর (টিবি নম্বর) দিয়ে বইটিকে প্রকাশ করার অনুমতি দেওয়া হয়।
