বড়ো ঘোষণা কমিশনরের, দেশের প্রত্যেক ভোটারের জন্য ইউনিক এপিক নম্বর!


দিন দর্পণ, নয়াদিল্লিঃ একই এপিক নম্বরে একাধিক নাম।এই বিতর্ক নিয়ে তোলপাড় হয়ে চলেছে রাজনৈতিক মহল।এবার এই নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশন জানালো ভোটার তালিকা থেকে ডুপ্লিকেট এপিক নম্বর আগামী ৩ মাসের মধ্যে সরানো হবে।এর আগে কমিশনের তরফে বিবৃতি জারি করে জানানো হয়, একই এপিক নম্বরে একাধিক ব্যক্তির নামে ভোটার কার্ড থাকা মানেই তাঁরা ভুয়ো ভোটার নন।

একই নম্বরে একাধিক ভোটার রয়েছেন, এমন অভিযোগ প্রথম প্রকাশ্যে আনেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় ভিন্রাজ্যের ভোটারদের নাম ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এরপর নেতাজি ইন্ডোরে তৃণমূলের মেগা সমাবেশ মঞ্চ থেকেও একই ইস্যুতে সরব হন তিনি।দাবি করেন, ভুয়ো ভোটারদের ব্যবহার করে ভোট বাড়িয়ে ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচন জেতার চেষ্টা করছে গেরুয়া শিবির। নির্বাচন কমিশনের ‘আশীর্বাদে’ বিজেপি নেতারা এই কাজ করছেন বলেও অভিযোগ করেন মমতা।

‘ভূতুড়ে’ ভোটার চিহ্নিতকরণে সুব্রত বক্সির নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করেন।ওই কমিটিতে রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ দলের একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব।তারই মাঝে আবার কমিশন বিবৃতি জারি করে।একই এপিক নম্বরে একাধিক ভোটার কার্ড থাকতে পারে।সেক্ষেত্রে কাউকে ‘ভুয়ো’ ভোটার বলে দাগিয়ে দেওয়া যাবে না।যদিও তৃণমূল এই যুক্তি মানতে নারাজ।আধার কার্ড, পাসপোর্টের মতো ভোটার কার্ডেও ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন নম্বর নয় কেন, সে প্রশ্ন তোলে রাজ্যের শাসক শিবির।গত বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়ে কমিশনের দপ্তরে যান চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।তার ঠিক ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নতিস্বীকার জাতীয় নির্বাচন কমিশনের।আগামী ৩ মাসের মধ্যে সমস্যা সমাধান করা হবে বলেই আশ্বাস কমিশনের।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *