রোপওয়েতে মাত্র ৩৬ মিনিটে কেদারনাথ


দিন দর্পণ, দেরাদুনঃ কেদারনাথ ভ্রমণের স্বপ্ন কমবেশি প্রত্যেক পুণ্যার্থীদেরই রয়েছে। স্বল্পবয়সী থেকে বৃদ্ধ প্রত্যেকেই চান ভারতের অন্যতম কঠিন দর্শনীয় স্থান কেদারনাথ ভ্রমণ করতে।কিন্তু তা যে একেবারেই সহজ বিষয় নয়, জানেন প্রত্যেকেই।হিমালয় পর্বতের ৩৫৮৪ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত এই মন্দিরে পৌঁছনোর ধকল নিতে পারেন না বহু পুণ্যার্থী।তাদের জন্যই বিরাট সুখবর।এবার সোনপ্রয়াগ থেকে কেদারনাথ পর্যন্ত ১২.৯ কিলোমিটার দীর্ঘ রোপওয়ে তৈরির সিদ্ধান্তে ছাড়পত্র দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।এর জন্য খরচ হবে প্রায় ৪ হাজার ৮১ কোটি টাকা।আগামী চার থেকে ছয় বছরের মধ্যেই তৈরি হয়ে যাবে ঐতিহাসিক এই ঝুলন্ত যাত্রাপথ।

অমরনাথের পরে ভারতের অন্যতম কঠিন হিন্দু তীর্থযাত্রা হল উত্তরাখণ্ডের কেদার ও বদ্রী।পূর্বের তুলনায় এই যাত্রাপথ অনেকটাই  সুগম হয়েছে।তাই সোনপ্রয়াগ থেকে গৌরীকুণ্ড পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার রাস্তা গাড়িতেই যাওয়া যায়।তার পরেও গৌরীকুণ্ড থেকে ১৬ কিলোমিটার পাহাড়ি পথে ট্রেকিং করে কেদারনাথ পৌঁছতে হয়।যেখানে অনেক বয়স্ক পুর্ণ্যার্থীদের সাহায্য অবলম্বন করতে হয়।তাই এবার এই দীর্ঘ কঠিন পথই এবার প্রবীণ ও বিশেষভাবে সক্ষম মানুষের জন্যও সুগম হতে চলেছে।তাছাড়া সময় লাগবে অনেক কম।এখন কেদারনাথ পৌঁছতে গৌরীকুণ্ড থেকে পায়ে হেঁটে, ঘোড়ায় চেপে বা পালকিতে চেপে যে রাস্তা পার হতে ৮ থেকে ৯ ঘণ্টা সময় লাগে, তা রোপওয়ের মাধ্যমে মাত্র ৩৬ মিনিটেই হয়ে যাবে, এমনটাই দাবি করছে মোদি সরকার।

কেদারনাথ ছাড়াও গোবিন্দঘাট থেকে হেমকুণ্ড সাহিব পর্যন্ত ১২.৪ কিলোমিটার দীর্ঘ রোপওয়ে তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।এই প্রকল্পের জন্য় খরচ হবে ২,৭৩০ কোটি টাকা।হেমকুণ্ড সাহিবে শিখদের দশম গুরু গোবিন্দ সিংহ ধ্যান করেছিলেন বলে শিখদের বিশ্বাস।রামায়ণের কাহিনী অনুযায়ী, লক্ষণ ও ওই জায়গায় ধ্যান করেছিলেন।বৃহস্পতিবারই উত্তরখণ্ডে সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ঠিক তার আগে ঘোষণা করা হল দুই রোপওয়ে প্রকল্প।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *