দিন দর্পণ, উত্তর ২৪ পরগণাঃ আহিরীটোলা কান্ডে আবারও নয়া মোড়।ট্রলি কান্ডে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে।মঙ্গলবার সকালে মধ্যমগ্রামে পিসি শাশুড়ি খুনের ঘটনায় ফাল্গুনী ঘোষের বাড়ির কাছে এক পুকুর থেকে ওই অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে।তারই সঙ্গে পাওয়া গিয়েছে একটি হাতুড়ি এবং দা-র, যা খুনে ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে।কিন্তু এখনও পর্যন্ত দেহ কাটায় ব্যবহৃত ছুরিটির খোঁজ চলছে।একই সঙ্গে চলেছে দ্বিতীয় লাল রংয়ের ট্রলিটির।
মঙ্গলবার সকাল থেকে মধ্যমগ্রামের কাছে ধৃতদের বাড়ির সামনে একটি পুকুরে তল্লাশি চালিয়ে খুনে যে ব¥টিটি ব্যবহৃত হয়েছিল সেটি উদ্ধার করা হয়েছে।একই সঙ্গে একটি রক্তমাখা বিছানার চাদরও পাওয়া যায়।পাশাপাশি, তল্লাশি করতে গিয়ে একই পুকুর থেকে উদ্ধার হয়েছে হাতুড়ি আর দা-ও।তবে অভিযুক্তদের বক্তব্য, তাঁরা দা আর হাতুড়ি ফেলেননি।সে সব তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।
সোমবারই ট্রলি-কাণ্ডে উঠে এসেছিল নতুন তথ্য।মধ্যমগ্রাম এলাকার একটি সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তদন্তকারীরা লাল রঙের আরও একটি ট্রলি দেখতে পান অভিযুক্তদের হাতে।অথচ নীল রঙের বড় একটি ট্রলিতে পিসিশাশুড়ির দেহ কেটে ঢুকিয়েছিলেন ফাল্গুনীরা।তদন্তকারীদের অনুমান, ওই ট্রলি ব্যাগে সুমিতার জামাকাপড় এবং অন্যান্য ব্যবহার্য সামগ্রী থাকতে পারে।ফাল্গুনী ও তার মাকে জেরায় জানা গিয়েছে, বড় ট্রলিতে সুমিতার দেহ ভরে গঙ্গায় ফেলতে যাওয়ার আগে দ্বিতীয় ট্রলিটি নিয়ে বেরিয়েছিলেন তাঁরা।তার পর ট্রলিটি পুকুরে ফেলে দিয়েছিলেন।তারই সাথে ফেলেছিলেন খুনে ব্যবহৃত বঁটি আর ছুরিটিও।অথচ, বঁটিটি পাওয়া গেলেও ছুরি এখনও উদ্ধার হয়নি।পুলিশের সন্দেহ, ওই বঁটি আর ছুরি দিয়েই সুমিতার দেহ কেটেছিলেন তাঁরা।মধ্যমগ্রামে তাঁদের বাড়ির আশেপাশের পুকুরে ডুবুরি নামিয়ে ছুরির খোঁজ চলছে।খোঁজ চলছে ট্রলিরও।
