দিন দর্পণ,২৫ ফেব্রুয়ারিঃ মাত্র ৩০মিনিটে ৩০০ থেকে ৩৫০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করা সম্ভব এখন।কী ভাবছেন এও কী সম্ভব?কিন্তু আসলেই সম্ভব।ভারতে প্রথম চালু হতে চলেছে হাইপারলুপ টেস্ট ট্র্যাক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পুরোপুরি তৈরি হয়ে গেছে।ভারতীয় রেলের সহায়তায় রেল মন্ত্রকের সহযোগিতায় ৪২২ মিটার দীর্ঘ ট্র্যাক বানিয়েছে আইআইটি মাদ্রাজ।
রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব ‘হাইপারলুপ’ লাইনের ছবি সমাজমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন।রেলমন্ত্রী জানান, পরিবহণ এবং গতির দুনিয়ায় এই ট্রেন এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে।আইআইটি মাদ্রাজের সঙ্গে যৌথ ভাবে এই প্রকল্পটির কাজ চলছে।দাবি করা হচ্ছে, এই ট্রেনের গতি হবে ঘণ্টায় ১১০০ কিলোমিটার, যা বুলেট ট্রেনের থেকেও গতি বেশি।একটি বুলেট ট্রেনের সর্বাধিক গতি ঘণ্টায় ৪৫০ কিলোমিটার।
যে ট্র্যাক তৈরি করা হয়েছে তা ৪২২ মিটার লম্বা।এই ট্র্যাক দিয়ে গেলে কমপক্ষে ৩৫০ কিলোমিটার পথ ৩০ মিনিট বা তার কমে অতিক্রম করা সম্ভব।সেই প্রেক্ষিতে বলা যায়, হাইপারলুপ দিয়ে দিল্লি থেকে জয়পুর (দুরত্ব মোটামুটি ৩০০ কিলোমিটার) যেতে মাত্র আধ ঘণ্টা সময় লাগবে।ইতিমধ্যে এই প্রজেক্টের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।তিনি জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে দু-দফায় ১ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হয়েছে আইআইটি মাদ্রাজকে।আরও এক দফায় এই টাকা দিতে ইচ্ছুক ভারতীয় রেল মন্ত্রক।আসলে খুব দ্রুত এই হাইপারলুপ প্রজেক্ট বাস্তবায়িত করতে চাইছে তাঁরা।
সবার হাইপারলুপ হল একটি উচ্চগতির পরিবহন ব্যবস্থা।ভ্যাকুয়াম টিউব দ্বারা বিশেষ ক্যাপসুলের মাধ্যমে এর মাধ্যমে যাতায়াত করা সম্ভব।ক্যাপসুল দিয়ে যাওয়ার জন্য বিশেষ ট্রেনও থাকে।এটিকে ‘ফিফথ মোড অফ ট্রান্সপোর্ট’ বলা হয়।হাইপারলুপ দিয়ে যাতায়াত করলে দুর্ঘটনা এবং খারাপ আবহাওয়ার প্রকোপ থেকে বাঁচা সম্ভব।একই সঙ্গে, বিমানের গতির দ্বিগুণ বেশি গতিতে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়া যেতে পারে।আর এর জন্য বিদ্যুতের খরচও অনেক কম লাগে।
