দিন দর্পণ,কলকাতাঃ বুধবার ভোরে প্রণয় ও প্রসূণদের গাড়ি ধাক্কা খায় বাইপাসের ধারে অভিষিক্তা মোড়ের পিলারে।গাড়িতে ছিল প্রণয়ের পুত্র ১৪ বছরের প্রতীপও।সেই দুর্ঘটনায় তিন জনের শরীরেই একাধিক হাড়গোড় ভেঙে গিয়েছে। তাঁদের আইসিইউতে রাখা হয়েছিল।তাঁর পরই তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে ট্যাংরার বাড়িতে তিনটি মৃতদেহ পাওয়ার ঘটনা সামনে উঠে আসে।ট্যাংরার বাড়িতে প্রণয় এবং প্রসূনের স্ত্রীর শিরা কাটা দেহ উদ্ধার হয় সে দিনই।তারই সাথে পাওয়া যায় প্রসূনের কন্যা ১৪ বছরের প্রিয়ম্বদার দেহ।ময়নাতদন্তের রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, তিন জনকেই খুন করা হয়েছে।এই তিন খুনের বিষয়ে দুই ভাইকে পূর্ণাঙ্গ জিজ্ঞাসাবাদের ভাবনা রয়েছে পুলিশের।এখনও সেই সুযোগ পাওয়া যায়নি।
শনিবার প্রণয় দে এবং কিশোর প্রতীপ দে-কে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে বাইপাসের ধারের হাসপাতাল থেকে।তাঁদের চিকিৎসা অন্যত্র হবে।এখনই ছুটি পাচ্ছেন না ট্যাংরার দে পরিবারের আর এক সদস্য প্রসূন দে।তাঁকে আপাতত ওই হাসপাতালেই রাখা হচ্ছে।দুই ভাইকেই হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার পরিকল্পনা রয়েছে পুলিশের।প্রণয়ের ক্ষেত্রে শনিবার তা সম্ভব হবে কি না, এখনও স্পষ্ট নয়।হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, প্রণয় এবং প্রতীপের শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে।তাদের বাইপাসের ধারের হাসপাতালে রাখার প্রয়োজন নেই।ফলে বাবা এবং ছেলেকে হাসপাতাল থেকে ছাড়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে শনিবার সকাল থেকে।হাসপাতালে তাদের সাথে রয়েছে পুলিশও।তাঁদের অন্য কোনও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হতে পারে।সেখানে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করবেন তদন্তকারীরা।কখন কী ঘটেছিল, খুনের কারণ কী, সব বিষয়ে দুই ভাইকে পূর্ণাঙ্গ জেরা করার ভাবনা রয়েছে তদন্তকারীদের।পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠলে তাঁদের হেফাজতে নেওয়া হতে পারে।
