দিন দর্পণ, ২১ফেব্রুয়ারিঃ ভারতীয় তৈরি স্নাইপার রাইফেল টেক্কা দিল বিদেশের নামীদামী প্রতিদ্বন্দ্বীদের।সর্বভারতীয় পুলিশ কম্যান্ডো প্রতিযোগীতায় স্নাইপার ক্যাটাগরিতে এনএসজি বাহিনী ‘সাবার’ ব্যবহার করে ছিনিয়ে আনল সেরার সেরা সম্মান।এর পোশাকি নাম ৩৮৮ লাপুয়া ম্যাগনাম।ভারতীয় কম্যান্ডোরা ডাকেন ‘সাবার’ নামে।এই স্নাইপার রাইফেল টেক্কা দিল তার বিদেশী প্রতিদ্বন্দ্বীদের।এই অস্ত্র প্রায় দেড় কিলোমিটার দূর থেকে নিখুঁত নিশানায় আঘাত করতে পারে শত্রুকে।
শুধুমাত্র অসামান্য লক্ষ্যভেদই নয়,প্রাণঘাতী আঘাত এবং সমস্ত মাপকাঠিতেই সবাইকে পিছনে ফেলেছে সাবার।এমনকী আমেরিকার তৈরি ৫০ ক্যালিবারের ‘ব্যারেট ’কে পিছনে ফেলেছে সাবার।ওই স্নাইপার রাইফেল ব্যবহার করে দ্বিতীয় হয়েছে মহারাষ্ট্র পুলিশের বিশেষ সন্ত্রাসদমন কম্যান্ডো বাহিনী ‘ফোর্স ওয়ান’।বেঙ্গালুরুর এক ছোট আগ্নেয়াস্ত্র প্রস্তুতকারক এসএসএস ডিফেন্সের তৈরি .৩৮৮ লাপুয়া ম্যাগনাম ইতিমধ্যেই বিদেশের কয়েকটি কম্যান্ডো বাহিনী ব্যবহার করে।
প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গের ইছাপুর রাইফেল ফ্যাক্টরিতে প্রায় দেড় দশক আগে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হয়েছিল প্রথম স্নাইপার রাইফেল ‘ঘাতক’।এর পরই বিভিন্ন রাজ্যের সশস্ত্র পুলিশবাহিনী এবং কেন্দ্রীয় আধাসেনা ব্যবহার করে।ভারতীয় রুশ সেনা ড্রাগোনভ, ইজরায়েলের আইএমআই গালিল, জার্মান সংস্থা ‘হেকলার অ্যান্ড কখ্’ নির্মিত পিএসজি১, জার্মানির মাউসার সংস্থার এসপি৬৬-র পাশাপাশি ব্যবহার করে এসএসএস ডিফেন্সের .৩৮৮ লাপুয়া ম্যাগনাম ‘সাবার’।কয়েকটি কেন্দ্রীয় ও রাজ্য পুলিশের কম্যান্ডো বাহিনী ব্যবহার করে ‘ব্যারেট’।প্রসঙ্গত, পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে আমেরিকার তৈরি জেট যুদ্ধবিমান ‘স্যাবার’ (আসল নাম এফ-৮৬) ছিল ভারতের বিরুদ্ধে পাক বায়ুসেনার অন্যতম অস্ত্র।
