দিন দর্পণ, কলকাতাঃ শহরের বিভিন্ন প্রান্তে অপরাধের সংখ্যা ক্রমশ বেড়েই চলেছে।এবার সেই অপরাধ রুখতেই কলকাতা পুলিশের নগরপাল।ধর্ষণ ও খুন কাণ্ডের পর তৎপর পুলিশ।ই-রিকশা ও টোটোচালকদের সচিত্র পরিচয়পত্র তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে আগেই।এবার নিউটাউন শহরজুড়ে সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হয়েছে।বুধবার রাতে নিউটাউন থানা এলাকার নাবালিকা খুন ও ধর্ষণের ঘটনাস্থল লোহাপুল, কেষ্টপুর,বাগজোলা খালপাড় লাগোয়া মৃধা মার্কেট, গৌরাঙ্গনগর ঢালাই ব্রিজ, মিশন বাজার ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে বসেছে অত্যাধুনিক সিসিটিভি ক্যামেরা।
শহরের যে সমস্ত জায়গায় অপরাধপ্রবণতা প্রবল সেসমস্ত এলাকা চিহ্নিত করে নির্দেশ দিলেন কলকাতা পুলিশের নগরপাল।চিহ্নিত জায়গায় সিসি ক্যামেরার নজরদারি যাতে হয়, তাও নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।গত সপ্তাহে লালবাজারের গুন্ডা দমন শাখার গোয়েন্দাদের সঙ্গে বৈঠক করেন কলকাতা পুলিশের নগরপাল মনোজ বর্মা।সেখানেই তিনি ওই নির্দেশ দিয়েছেন বলে সূত্রের দাবি।গত কয়েক মাসে শহরে বেশ কয়েকটি অপরাধের ঘটনা ঘটেছে।যার মধ্যে রয়েছে নারকেলডাঙায় প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে কোটি টাকা ডাকাতির ঘটনা।তার কয়েক দিন আগেই ওই একই কায়দায় কড়েয়ার একটি শপিং মলের কাছে কয়েক লক্ষ টাকা লুটের ঘটনা ঘটেছিল।এ ছাড়াও মাসকয়েক আগে কসবায় স্থানীয় শাসকদলের প্রভাবশালী পুরপ্রতিনিধি সুশান্ত ঘোষের উপরে দুষ্কৃতীদের হামলা একাধিক প্রশ্নের মুখে ফেলেছিল শহরের নিরাপত্তাকে।
নিউটাউন থানার পুলিশ জানিয়েছে, জরুরি ভিত্তিতে আপাতত ২০ এনপিআর ক্যামেরা বসানো হয়েছে।অত্যাধুনিক মানের এই সিসি ক্যামেরায় রাতের অন্ধকারে গাড়ির নম্বর প্লেট-সহ সংশ্লিষ্ট এলাকার উন্নতমানের ছবি ধরা পড়বে।পাশাপাশি শহর কর্তৃপক্ষ নিউটাউন কলকাতা উন্নয়ন নিগম বা এনকেডির ব্যবস্থায় শহরজুড়ে সিসি ক্যামেরা বসছে।পাশাপাশি মেরামতি ও স্ট্রিট লাইটে লাগানোর উপর জোর দিয়েছে সংস্থা।
