ক্যানসারের ওষুধে শুল্ক ছাড় বড়ো ঘোষণা বাজেটে


দিন দর্পণ, নয়াদিল্লিঃ আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের সমস্ত হাসপাতালগুলিতে আলাদ করে ক্যানসার সেন্টার তৈরি করা হবে।শনিবার পূর্ণাঙ্গ বাজেটে এই সিদ্ধান্ত পেশ করেন নির্মলা সীতারামন।এমনকি ডাক্তারি পড়ুয়াদের জন্য মেডিক্যাল কলেজগুলিতে আরও আসন বাড়ানো হবে।এছাড়াও ক্যানসার,সহ একাধিক মারণরোগের ৩৬টি জীবনদায়ী ওষুধে ১০০ শতাংশ কর ছাড়ের কথা ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।এটা বাজেটে বড় ঘোষণা কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর।  

আগামী পাঁচ বছরে মেডিক্যালে ৭৫ হাজার আসনবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে কেন্দ্র।পাশাপাশি দেশের প্রতিটি জেলায় ক্যানসার রোগীদের জন্য চিকিৎসাকেন্দ্র খোলা হবে বলেও জানান তিনি।বাজেট পেশের সময়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের সব জেলার হাসপাতালে ক্যানসার সেন্টার তৈরি করা হবে।সারা দেশে মোট ২০০টি ক্যানসার নিরাময় কেন্দ্র তৈরি করা হবে।এই উদ্যোগের লক্ষ্য দেশজুড়ে রোগীদের জন্য ক্যানসার চিকিৎসা এবং সহায়তার সুযোগ বৃদ্ধি করা, স্বাস্থ্যসেবা পরিষেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবধান পূরণ করা।তাই আগামী তিন বছরে ২০০টি ‘ডে কেয়ার ক্যানসার সেন্টার’ নির্মিত হবে।’

গত তিন বছরে মেডিক্যাল কলেজগুলিতে ১ লক্ষের বেশি আসন বৃদ্ধি করেছে কেন্দ্র।আগামী বছরে তা আরও ১৩০ শতাংশ বর্ধিত করে ১০ হাজার আসন যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।তা ছাড়া বিভিন্ন ক্ষেত্রে চুক্তিভিত্তিক কর্মীদেরও প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা’র আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে জানান কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা।এছাড়া সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের অধীনে ১ কোটি কর্মীকে স্বাস্থ্য এবং বিমার আওতায় আনা হবে।নির্মলা সীতারমণ আজ বাজেটে চিকিৎসা পর্যটনে উপর জোর দেওয়ার কথাও বলেছেন।সেক্ষেত্রে পিপিপি মডেলে কাজ হবে বলে জানান তিনি।তবে বারবার অভিযোগ ওঠে দেশের সরকারি হাসপাতালে রোগী এবং চিকিৎসকের সংখ্যার অনুপাত অনেক কম।তাই চিকিৎসকের সংখ্যা বৃদ্ধিতে জোর দেওয়া হবে।শনিবার বাজেট পেশের সময়ে নির্মলা সীতারামন বিশেষ করে গ্রামীণ এবং সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা পরিকাঠামো উন্নত করার উপর জোর দেন।এই কেন্দ্রগুলি প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্য যাতে ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের সময়মত চিকিৎসা করা যায়।তাঁর বক্তব্য, যাঁরা ক্যানসার, দীর্ঘস্থায়ী বা অন্যান্য গুরুতর রোগে ভুগছেন, আমি ৩৬টি জীবনদায়ী ওষুধকে মৌলিক শুল্ক অব্যাহতিপ্রাপ্ত ওষুধের তালিকায় যুক্ত করার প্রস্তাব করছি।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *