দিন দর্পণ, হায়দ্রাবাদঃ প্রাক্তন সেনাকর্তার পৈশাচিক কীর্তি।হাড়হিম করা ঘটনা ঘটেছে হায়দ্রাবাদে।গুরু মূর্তি নামে ৪৫ বছরের ওই ব্যক্তি আগে সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন।অবসরের পর এখন তিনি নিরাপত্তারক্ষী হিসাবে কাজ করতেন।গত ১৬ জানুয়ারি, থেকে তাঁর স্ত্রী বেঙ্কট মাধবীর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।খোঁজাখুঁজির পর ১৮ জানুয়ারি, স্থানীয় থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন মাধবীর বাবা-মা।মনে করা হয়েছিল, রোজকার অশান্তি থেকে রেহাই পেতে বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছেন ওই মহিলা।তাঁর খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ।প্রথম থেকেই তাদের সন্দেহ ছিল অভিযুক্ত গুরুর উপর।
পুলিশ আধিকারিক নাগারাজু জানান, জেরায় গুরু দাবি করেছেন, স্ত্রীকে বাথরুমে নিয়ে গিয়ে টুকরো টুকরো করেন।তারপর হাড় গুঁড়ো করেন হামানদিস্তায়।তারপর তিনদিন ধরে সেই দেহাংশই সেদ্ধ করেন প্রেসার কুকারে।অবশেষে নৃশংস কাণ্ড লুকোতে সেগুলো ফেলে দেন গুঁড়ো মীরপেট লেকে।কিন্তু রেহাই পাননি ওই অভিযুক্ত প্রাক্তন সেনাকর্তা।পুলিশের কাছে ধরা পড়তেই নিজের যাবতীয় কীর্তি স্বীকার করেন।তদন্ত করছে পুলিশ।স্ত্রীর নিখোঁজ হওয়া নিয়ে জিজ্ঞাসা করতেই অপরাধ স্বীকার করে নেন গুরু।
গুরুর দাবি মতো ওখানেই এখন মাধবীর দেহাংশ খুঁজছে পুলিশ।তল্লাশিতে নামানো হয়েছে পুলিশি কুকুরও।তবে বুধবার রাত পর্যন্ত খোঁজাখুঁজির পর সেখান থেকে কোনও দেহাংশ খুঁজে পায়ননি তদন্তকারিরা।কিন্তু কেন স্ত্রীকে এইভাবে খুন করলেন গুরু?জানা গিয়েছে, দুজনের মধ্যে দাম্পত্য কলহ ছিল তুঙ্গে।প্রায়ই স্ত্রীর গায়ে হাত তুলতেন গুরু।তবে এই খুনের আসল কারণ জানতে তদন্ত চলছে।
