দিন দর্পণ, ১৬জানুয়ারিঃ যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে ভারত নিজের প্রতিরক্ষারকারণে নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্ত করতে নতুন কৌশল করছে।আকাশ পথ থেকে সড়কদিক সবদিক থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত।যুদ্ধকালীন সময়ে ভারতকে বিপাকে ফেলতে শত্রুসেনার বিমান কিংবা ক্ষেপণাস্ত্র এমনই গুরুত্বপূর্ণ নিশানা বেছে নিতে পারে।এবার আকাশ পথে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় আরও উচ্চমানের করা হচ্ছে।
কয়েকবছর আগে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং সশস্ত্র বাহিনীর তিনটি শাখার যৌথ পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করেছিলেন।সশস্ত্র বাহিনীর দুই শাখা, স্থলসেনা এবং বায়ুসেনার সমন্বয় নিবিড় করা হচ্ছে বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের একটি সূত্র জানাচ্ছে।দুই বাহিনীর সমস্ত আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিটগুলিকে আনা হচ্ছে ‘ইন্টিগ্রেটেড এয়ার কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম (আইএসিসিএস) নামে পরিচালন ব্যবস্থার অধীনে।ইতিমধ্যেই সেই একত্রীকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে প্রকাশিত কয়েকটি খবরে দাবি।নয়া ব্যবস্থায় রুশ এস-৪০০ থেকে ভারতীয় আকাশ(ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র) পর্যন্ত সবই চলে আসবে আইএসিসিএস-এর নিয়ন্ত্রণে।ইতিমধ্যেই স্থলসেনার আকাশতির এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম-এর ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।বর্তমানে ভারতীয় স্থলসেনা, নৌসেনা এবং বায়ুসেনার দেশ জুড়ে পৃথক পৃথক কমান্ড রয়েছে।‘থিয়েটারাইজেশন’পদ্ধতির চূড়ান্ত লক্ষ্য হল তিন বাহিনীর ভিন্ন ভিন্ন কমান্ডের পরিবর্তে একই থিয়েটার কমান্ড গঠন করা।
আমেরিকা রাশিয়ার মতো দেশে ইতিমধ্যেই এই ব্যবস্থা অনেক আগে থেকেই চালু রয়েছে।প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এর ফলে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সমন্বয়ের ক্ষেত্রে সুবিধা হবে সশস্ত্র বাহিনীর তিন শাখার।এর মাধ্যমে বাড়বে মারণক্ষমতাও।আকাশ প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপের ফলে ‘জয়েন্ট এয়ার ডিফেন্স সেন্টার’ (জেএডিসি)-র মাধ্যমে আকাশতির-সহ সশস্ত্র বাহিনীর রাডারকে একীভূত করা হবে।
