ছোলা সেদ্ধ করতে গিয়েই প্রাণ গেল দুই যুবকের


দিন দর্পণ, নয়াদিল্লিঃ ছোলা সেদ্ধ করতে গিয়েই প্রাণ গেল বছর ২০-র দুই যুবকের।দিল্লির নয়ডার সেক্টর ৭০ বাসি ন্দা একজনের নাম উপেন্দ্র এবং অন্যজনের নাম শিবম।ওই দুই যুবক ঠেলাগাড়িতে ছোলে ভাটুরে এবং কুলচা বিক্রি করতেন।গতকাল রাতে পড়দিনের বিক্রির জন্য স্টোভে ছোলা সেদ্ধ করতে বসিয়েই ঘুমিয়ে পড়েন দুই যুবক।তাতেই ঘটে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।ছোলা পুড়ে যাওয়ায় গোটা ঘর কালো ধোঁয়ার ভরে ওঠে আর সেই ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে যায় মারা যায় ওই দুই যুবক।

পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, সম্ভবত ছোলা সেদ্ধ করতে বসিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন ওই দুই যুবক।ফলে দীর্ঘক্ষণ স্টোভ জ্বলায় সেদ্ধ ছোলা পুড়ে গিয়ে উৎপন্ন হয় বিষাক্ত কার্বণ মনো অক্সাইড গ্যাস।শীতের সময় ঘরের সব দরজা-জানালা বন্ধ থাকায় ঘরময় ছড়িয়ে পড়ে এই বিষাক্ত গ্যাস।পুলিশের ধারণা, দীর্ঘক্ষণ আগুন জ্বলা এবং ছোলা পুড়ে যাওয়ায় ঘরের ভিতর কার্বন মনোক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে গিয়েছিল, যে কারণে অক্সিজেনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়।ছোলা পুড়ে গিয়ে কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় সারা ঘর।

সকালে সেই ধোঁয়া বেরোতে দেখে তড়িঘড়ি দরজা ভেঙে ঘরে ঢোকেন প্রতিবেশীরা।সেখানে তাঁরা অচৈতন্য অবস্থায় ওই দুই যুবককে উদ্ধার করে।এবং দ্রুত তাঁদের হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানেই তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।ইতিমধ্যেই পুলিশ দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।ময়নাতদন্তের পরই মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।তবে মৃতদের দেহে কোনও আঘাতের চিহ্ন না থাকায় পুলিশ নিশ্চিত বিষাক্ত গ্যাসেই তাঁদের মৃত্যু হয়েছে।প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী ধারণা করা হচ্ছে, তাদের মৃত্যুর কারণ বিষাক্ত গ্যাসের শ্বাসরোধ।কার্বন মনোক্সাইড একটি গন্ধহীন বিষাক্ত গ্যাস যা সাধারণত জ্বালানি পোড়ানোর ফলে তৈরি হয় এবং এটি বদ্ধ জায়গায় জমে গেলে মৃত্যু ঘটাতে পারে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *