দিন দর্পণ, কলকাতাঃ ভারতে দুদিনের মধ্যে এইচএমপিভি ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।কিন্তু সে নিয়ে মঙ্গলবার গঙ্গাসাগর থেকে হাওড়ার ডুমুরজলা হেলিপ্যাডে ফিরে নবান্নে যাওয়ার আগে এই ভাইরাস তিনি বলেন, সাধারণ জ্বর নিয়েও আতঙ্ক ছড়াচ্ছে প্রাইভেট চক্র।একইসঙ্গে তাঁর আশ্বাস, ভয় পাবেন না।এই ভাইরাস মারাত্মক ক্ষতিকর নয়।আমরা স্বাস্থ্যসাথী দিয়েছি, যেখানে প্রয়োজনের বাইরেও কয়েক লক্ষ টাকার অনর্থক বিল হচ্ছে।আমি স্বাস্থ্যসাথী করেছি সারা বছর পরিবারের চিকিৎসার জন্য।এখানে একটা জ্বরেই যদি দুই তিন লাখ টাকা বিল করে দেয় কীভাবে চলবে?তাই আমরা এটা নিয়ে উচ্চস্তরে আলোচনা করেছি।আমরা প্রয়োজন হলে অবশ্যই জানাবো।তাই আপাতত এটা নিয়ে আতঙ্কিত হবেন না।
স্বাস্থ্য দফতরের খবর কর্ণাটকের দুটি শিশু, গুজরাতের একটি, তামিলনাড়ুর দুটি ও কলকাতার একটি শিশুর শরীরে এইচএমপিভির সংক্রমণ ধরা পড়েছে।এই রাজ্যে গত বছরের নভেম্বর মাসেও এই ভাইরাসে একটি শিশু আক্রান্ত হয়েছিল।সে সম্পুর্ণ সুস্থ আছে।অনেকেই বছর চারেক আগের করোনা-আবহের কথা ভেবে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।তবে ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হচ্ছে।কেন্দ্রের তরফেও ভাইরাস নিয়ে অযথা আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটা বড় অংশ ইতিমধ্যেই দাবি করেছে,HMPV কোনও নতুন ভাইরাস নয়, পুরনো। প্রতি বছরই এই ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা যায়। চলতি বছরও তার ব্যতিক্রম নয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রাক্তন প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথন সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেন এই ভাইরাস নিয়ে।এই ভাইরাস নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছুই নেই।এটা একটা সাধারণ ভাইরাস যা প্রতি বছর সংক্রামিত করে।ঠান্ডা লাগলে যেটুকু সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত, এক্ষেত্রেও তাই করতে হবে।সাধারণত বছরের এই সময়টায় মাস্ক পরলে, নিয়মিত হাত ধুলে, এসব রোগ থেকে দূরে থাকা যায়।পাশাপাশি সকলকে আশ্বস্ত করে তিনি এও জানান, এখনও পর্যন্ত এই ভাইরাস সংক্রমণে কোনও মৃত্যুর খবর নেই ভারতে।
