West bengal new year celebration- ইংরেজী নববর্ষে রাজ্যজুড়ে থিকথিকে ভিড়, তিল ধারণের জায়গা নেই পর্যটনস্থলগুলিতে
সুপর্ণা দে, ০১.০১-২৪ সময়ঃ ৪.২০
দিন দর্পণ ডিজিটাল ডেস্কঃ বছরের প্রথম দিনই কল্পতরু হয়েছিলেন ঠাকুর রামকৃষ্ণদেব। দিনটিতে রামকৃষ্ণদেবকে স্মরণ করতে কাশীপুর উদ্যানবাটি, মানুষের থিকথিকে ভিড়। রবিবার রাত তিনটে থেকে কাশীপুর উদ্যানবাটিতে আসতে শুরু করেন ভক্তরা। মন্দিরের গর্ভগৃহ থেকে উদ্যানবাটির বাইরে দমকল কেন্দ্র পর্যন্ত মানুষের লাইন চলে গিয়েছে।
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের টাকির ইছামতী খুব পরিচিত এক স্পট। টাকি থেকে প্রতিবেশী বাংলাদেশকে দেখতে অনেকেই পছন্দ করেন। এদিনও তেমনই টাকিতে গিয়ে বর্ষশেষের হইহুল্লোড়ে মেতেছেন মানুষ। বসিরহাটে টাকিতে পৌঁছে বছরের শেষ দিনে ইছামতীর তীরে পিকনিকে মাতল মানুষ। পিকনিকের পাশাপাশি এখানে অতিরিক্ত পাওনা ইছামতীতে নৌকাবিহার। নৌকায় চড়ে কাছ থেকে বাংলাদেশকে দেখা একটা আনন্দ। ভারত-বাংলাদেশের পতাকা লাগানো নৌকা দেখে এক আলাদা অনুভূতি হয়।
পাশাপাশি আসানসোলের মাইথন জলাধারে চলছে জোড়দার পিকনিক। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষজন এখানে এসে হুল্লোরে মেতেছেন। সঙ্গে রয়েছে কড়া পুলিশি নজরদারি, এছাড়াও শহর কলকাতায় চিড়িয়াখানায় সকাল থেকেই নেমেছে মানুষের ঢল। তিল ধারণের জায়গা নেই চিড়িয়াখানায়। রাস্তায় লম্বা লাইন পড়ে গিয়েছিলো চিড়িয়াখানায় ঢোকার জন্য। রবিবারই রেকর্ড সংখ্যক ভিড় হয়েছে চিড়িয়াখানায়। সোমবারও তার অন্যথা হল না। জনস্রোত সামাল দিতে আসরে নামতে হয় পুলিশকে। মূলত, চিড়িয়াখানার আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু শিম্পাঞ্জি, বাঘ, জিরাফ, জেব্রা, মার্মোসেট বাঁদর, কুমির এবং পাখির খাঁচাগুলি। শোনা গিয়েছে কেউ কেউ আবার কুমিরের গায়ে জল ঢেলে কিংবা ঢিল ছুঁড়ে বুঝতে চেয়েছেন সেটি জীবিত না মৃত! কেউ বাধা দিলে অত্যুৎসাহীরা তাঁদের সঙ্গে ঝগড়া বাধিয়ে দিয়েছেন। ভেতরে যে কোনো রকমের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বাড়তি সি সি ক্যামেরা বসানো হয়েছিলো, বাড়তি নিরাপত্তারক্ষীও নিয়োগ করা হয়েছিলো। ভিড়ের ঠেলায় কয়েকজন হারিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
