দিন দর্পণ, ২১শে ডিসেম্বরঃ শনিবার দুদিনের কুয়েত সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।ইতিমধ্যেই কুয়েতে পৌঁছে গিয়েছেন মোদী।শেষবার গিয়েছিলেন,ইন্দিরা গান্ধি।প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন ১৯৮১ সালে কুয়েতে গিয়েছিলেন ইন্দিরা গান্ধী।৪৩ বছর পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে প্রথম যাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদী।এরপর প্রায় চার দশক পর ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসাবে যাবেন মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে।প্রধানমন্ত্রী যাওয়ার উদ্দেশ্যে সাজোসাজো রব কুয়েতে।রাজনৈতিক দিক থেকেও প্রধানমন্ত্রীর এই সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, কুয়েতি আমির শেখ মেশাল আল-আহমদ আল-জাবের আল-সাবাহর আমন্ত্রণে মোদি কুয়েত যাচ্ছেন।এই কুয়েত সফরের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির সঙ্গে ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অন্য মাত্রা পাবে বলেও আশাবাদী নয়াদিল্লি।
কুয়েতে একাধিক কর্মসূচি আছে নরেন্দ্র মোদীর।প্রধানমন্ত্রীর আপ্যায়নের জন্য তৈরি হচ্ছে ‘হালা মোদি’এর মঞ্চ।রাজনীতি,বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, সংস্কৃতি ইত্যাদি ছাড়াও উভয় পক্ষের সম্পর্ক আরও গভীর করার জন্য কী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন তা নিয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে ভোজসভারও আয়োজন করবেন ক্রাউন প্রিন্স।উপস্থিত থাকতে পারেন ৫ হাজার প্রবাসী।ওখানে বসবাসকারী প্রবাসী ভারতীয়দের সাথে কথা বলবেন।ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধনও করবেন বলে খবর জানা যায়।আজ, শনিবার সকালে কুয়েতের জন্য রওনা দিয়েছেন মোদী সরকার।এনিয়ে বিদেশমন্ত্রকের সেক্রেটারি অরুণকুমার চ্যাটার্জি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কুয়েত সফর ঐতিহাসিক।এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।বিভিন্ন ক্ষেত্রে অংশীদারিত্ব গতি পাবে।ব্যবসা-বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, শিল্প, কর্মসংস্থান নিয়ে প্রধানমন্ত্রী আলোচনা করবেন।এই সফরের ফলে ভবিষ্যতে ভারত-কুয়েতের বন্ধন আরও মজবুত হবে।কুয়েতে থাকা চার থেকে পাঁচ হাজার ভারতীয়দের উদ্দেশে ভাষণ দেবেন।চলতি বছরের জুন মাসে কুয়েত সিটির দক্ষিণে মাঙ্গাফ এলাকার একটি বহুতল আবাসনে বিধংসী আগুন লাগে।আগুনের লেলিহান গ্রাসে মৃত হয় ৪৯ জনের।সরকারের তরফে জানানো হয়, মৃতদের মধ্যে ৪৫ জনই ভারতীয়।নিহতদের দেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে কুয়েতে যান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।কুয়েতে থাকা ভারতীয় শ্রমিকদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতেও এই সফরে যাত্রা করেছেন নরেন্দ্র মোদি।তার আগে তিনি যাবেন লেবার ক্যাম্প পরিদর্শনে।
