দিন দর্পণ, কলকাতাঃ প্রাণীজ প্রোটিন উৎপাদনে সবার প্রথমে পশ্চিমবঙ্গ।ডিম, মাংস,দুধ উৎপাদনে উত্তরপ্রদেশের থেকেও এগিয়ে বাংলা।এই খুশির খবর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের এক্স হ্যান্ডেলে কিছুক্ষণ আগে পোস্ট করেছেন।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জেনে আনন্দিত যে বাংলা ভারতের সর্বোচ্চ প্রাণী প্রোটিন উৎপাদনকারী হয়ে উঠেছে, এমনকি উত্তর প্রদেশের বড় রাজ্যকেও ছাড়িয়ে গেছে।ভারত সরকার তা স্বীকার করেছে এবং সর্বজনীনভাবে বাংলার প্রশংসা করেছে।সম্প্রতি, অ্যানিমাল হাসবেন্ড্রি স্ট্যাটিসটিক্স ২০২৪ প্রকাশ করা হয়েছে।সদ্য প্রকাশিত পশুপালন পরিসংখ্যান ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলা এখন দেশের সর্বোচ্চ মাংস উৎপাদনকারী, যা জাতীয় উৎপাদনের ১২.৬২ শতাংশ অবদান রাখে।দুধ উৎপাদনে, পশ্চিমবঙ্গ দেশের সর্বোচ্চ বার্ষিক বৃদ্ধির হার রেকর্ড করেছে অর্থাৎ জাতীয় গড় ৩.৭৮ শতাংশ এর বিপরীতে ৯.৭৬ শতাংশ ।পোল্ট্রি খাতে, ডিম উৎপাদনে আমাদের বার্ষিক বৃদ্ধির হার ১৮.০৭ শতাংশ যা জাতীয় গড় ৩.১৮ শতাংশ ।এই সমস্ত অর্জনগুলি আমাদের উদ্ভাবনী নীতি এবং কর্মসূচির প্রমাণ এবং আমাদের কৃষক এবং উৎপাদকদের শক্তিশালী শক্তি নির্দেশ করে৷
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রাণী সম্পদ বিকাশ দফতর ইতিমধ্যে নানা উদ্যোগ নিয়েছে মাংস এবং ডিম উৎপাদনের গতি আনতে।মুক্তাঙ্গন পদ্ধতিতে মুরগি পালন করে গত ৩ বছরে প্রায় আড়াই কোটি মুরগি এবং হাঁসের বাচ্চা বিতরণ করা হয়েছে।এর জন্য আপাতত খরচ হয়েছে প্রায় ১৮০ কোটি টাকা।স্ব-সহায়ক গোষ্ঠীর মাধ্যমে ছাগল পালন করা হচ্ছে।ইতিমধ্যে ১ লক্ষ ৪৫ হাজারের বেশি ছাগল বিতরণও করা হয়েছে।যার লক্ষ্য মাংস উৎপাদন বাড়ানো।সরকারি মিট প্লান্ট তৈরি করেও বছরে ৪ হাজার মেট্রিক টন মুরগির মাংস, ১৫০ মেট্রিক টন ছাগলের মাংস, ৫০ মেট্রিক টন শুয়োরের মাংস এবং ৩ মেট্রিক টন ভেড়ার মাংস উৎপাদন করা হচ্ছে।
