দিন দর্পণ, লাক্ষেৌঃ ১৫ই নভেম্বর, শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসি মহারানি লক্ষ্মীবাঈ মেডিক্যাল কলেজের এনআইসিইউ (নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট)-তে আগুন লাগে।ভেতরে তখন ৪৭ জন শিশু ছিল।১০জন শিশুর মৃত্যু হয়।দমকল এসে পৌঁছনোর আগেই এনআইসিইউ এর কাঁচ ভেঙে বেশ কয়েকজন শিশুকে উদ্ধার করে চিকিৎসক ও নার্সরা।পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ৬টি ইঞ্জিন।দ্রুত বাকি শিশুদের উদ্ধার করা হয়।
ডি এম অবিনাশ কুমারের মতে, নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (এনআইসিইউ) শুক্রবার রাত ১০.৩০ টার দিকে ঘটনাটি ঘটে।শর্ট সার্কিটের কারণে আগুন লাগে। ১০জন শিশু মারা যায়।১৬জন শিশু গুরুতর আহত।আহত শিশুদের চিকিৎসা চলছে।আহত শিশুদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।কয়েকজনকে বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।এই সমস্ত চিকিৎসা ভার বহন করবেন বলেছে উপমুখ্যমন্ত্রী।
মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে বলেছেন, রাতেই সেখানে পৌঁছেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও রাজ্যের ডেপুটি সিএম ব্রজেশ পাঠক।স্বাস্থ্য অধিদফতর, মেডিকেল কলেজ প্রশাসন ও পুলিশের পুরো দল তাদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে সফল হয়েছে।তবে আমার সমবেদনা সেই সমস্ত পরিবারের প্রতি যারা তাদের সন্তানদের হারিয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ মৃত শিশুদের প্রত্যেকের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা এবং আহতদের জন্য ৫০ হাজার টাকার আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেছেন।
এই দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি এক এক্স-এ বলেছেন, এটি এক হৃদয়বিদারক ঘটনা। যারা তাদের নিষ্পাপ শিশুদের হারিয়েছেন, তাদের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা। আমি ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি যেন তারা এই বিশাল ক্ষতি সহ্য করার শক্তি পান। প্রধানমন্ত্রী মোদি আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন এবং তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিহত শিশুদের পরিবারের জন্য ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা ঘোষণা করেছেন।এই ঘটনায় যে ক্ষতি হয়েছে তা খুব সহজে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব না। বিশেষত যারা তাদের নিষ্পাপ শিশুদের হারিয়েছে।
