ARABUL SEEKS SECURITY FROM MAMATA- প্রাণহানির আশঙ্কায় মমতার দ্বারস্থ আরাবুল


দিন দর্পণ, ডিজিটাল ডেস্ক ভাঙড়: নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলাম (Arabul Islam)। তাই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে নিরাপত্তার আবেদন জানালেন তিনি। এ বিষয়ে তিনি স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসনের কাছে জানিয়েছিলেন, কিন্ত তাতে নাকি কোনো কাজ হয়নি। তবে এনিয়ে তাকে খোঁচা দিতে ছাড়েনি বিরোধীরা। স্থানীয় বিজেপি (BJP)নেতা সুনীপ দাস বলছেন, পুলিশ ওনাকে তিনজন বডিগার্ড (BODYGUARD)দিয়েছে। তাঁদের উপরেও ভরসা নেই ওনার। পুলিশের (POLICE)উপর যদি ওনার ভরসা না থাকে তাহলে সাধারণ মানুষ কী করে পুলিশে ভরসা করবে? আবার এনিয়ে কটাক্ষ করেছেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তিনি বলেন, “পুলিশ হয়তো বলেছে এখন আর পারব না। উইথড্র (WITHDRAW)করছে। দিদির ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে চাইছে। অনেক কিছুই তো হচ্ছে।”

প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার ভাঙড় দুই নম্বর ব্লকে একটি সভা ছিল। সেখানে আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীকে বক্তব্য রাখতে না দেওয়ায় বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় আরাবুলকে। দীর্ঘক্ষণ তিনি বিডিও অফিসে আটকেও থাকেন। অন্যদিকে পঞ্চায়েতে ভোটপর্বেও বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন আরাবুল। আর তারপর থেকেই নিরাপত্তাহীনতা ভুগতে শুরু করেছেন তিনি। 

আরাবুল বলছেন, “আমরা বারবার প্রশাসনকে জানাচ্ছি। প্রশাসন কতটা নিরাপত্তা আমাদের দিতে পারে সেটা প্রশাসন জানে। সেটা নিয়ে আর কিছু বলব না। আমি রাজ্য নেতৃত্ব থেকে শুরু করে আমাদের জেলা নেতৃত্ব, আমাদের অবজারভারকে বারবার বলেছি। আমাদের যে কোনও সময় প্রাণহানির আশঙ্কা আছs। ওনাদের এ কথা বলেছি। কিন্তু, হুট করে আমার তিনজন সিকিউরিটিকে চেঞ্জ করে দেওয়া হল। কোনও কারণ নেই। আমার সিকিউরিটি তুলে নেওয়া হয়।” এখানেই না থেমে রীতিমতো ক্ষোভের সুরে তিনি বলেন, “এখন যাঁরা নতুন তাঁরা তো ভাঙড়ের ভৌগলিক দিকটা ভাল বোঝে না। কোথায় সমস্যা হতে পারে, ঝামেলা হতে পারে, গুলি চলতে পারে, আরাবুলের উপর আক্রমণ হতে পারে সেটা ওরা বোঝে না। আমার কিছু ছেলে আছে আমার সঙ্গে। তাঁদের আমি রেখেছি আমার নিরাপত্তার জন্য। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমার আবেদন আমাদের নিরাপত্তার বিষয়টি দেখুন।”

তবে খোঁচা দিতে ছাড়েনি বিরোধীরা। বিজেপি নেতা সুনীপ দাস বলছেন, পুলিশ ওনাকে তিনজন বডিগার্ড দিয়েছে। তাঁদের উপরেও ভরসা নেই ওনার। পুলিশের উপর যদি ওনার ভরসা না থাকে তাহলে সাধারণ মানুষ কী করে পুলিশে ভরসা করবে? খোঁচা দিয়েছেন অধীর রঞ্জন চৌধুরীও। বলেন, “পুলিশ হয়তো বলেছে এখন আর পারব না। উইথড্র করছে। দিদির ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে চাইছে। অনেক কিছুই তো হচ্ছে।”


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *