দিন দর্পণ, পাটনাঃ খাবারের থালা বানানোর কারখানার নীচে বিপুল অস্ত্রভান্ডার। মাটির নীচে গোপনে তৈরি হত একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র। এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে বিহারের তারাপুরে। ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ।ধৃতদের একজন কারখানার মালিক মহম্মদ মোনাজির হুসেন এবং অন্যজন তাঁরই শ্যালক মহম্মদ নাসিম।কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স সহ বিহার পুলিশের এসটিএফ এবং তারাপুর পুলিশের যৌথ উদ্দ্যোগে এই অভিযান সফল হয়েছে। এই বেআইনি অস্ত্রভান্ডারের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কিনা তা খতিয়ে দেখছে কলকাতা পুলিশ।
বিশেষ সূত্রে খবর পেয়ে বুধের রাতেই বিহারের মুঙ্গের জেলার গাজীপুর থানা এলাকার মহম্মদ মোজানিরের বাড়িতে হানা দেয় কলকাতা পুলিশের এসটিএফ। স্থানীয় পুলিশ এবং বিহার পুলিশের এসটিএফ-কে সঙ্গে নিয়েই এই তল্লাশি অভিযান শুরু করে কলকাতা পুলিশ বাহিনী। জানা যায়, খাবারের থালা বানানোর কারখানার মাটির তলায় গোপন একটি ঘর রয়েছে। সেখানে আছে নানা ধরনের মেশিন, যা দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গোপনে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি হত। যা পাচার হত বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে ৬টি ৭ এমএম পিস্তলের যন্ত্রাংশ, ৬টি পিস্তলের বাট, ১টি লেদ মেশিন এবং ড্রিলিং মেশিন-সহ একাধিক যন্ত্রাংশ। ইতিমধ্যেই সমস্ত যন্ত্রাংশ বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।
প্রসঙ্গত, গত তিন বছর ধরে বিহার, ঝাড়খণ্ড ও কলকাতা পুলিশ এই ধরনের অভিযান চালাচ্ছে। এই নিয়ে ১৪ তম অস্ত্র তৈরির কারখানার হদিশ পাওয়া গিয়েছে। বেআইনিভাবে অস্ত্র তৈরি বন্ধ করতেই এই অভিযান। শুধু বাংলা নয়, পড়শি দেশ বাংলাদেশেও বিহার থেকে অস্ত্র পাচার হত বলে খবর।
