TOTO DRIVER MARRIAGE- ই-রিক্সায় বিয়ের বিজ্ঞাপণ


বাবন ধুঁয়া, ১৯.০২.২৪ সময়ঃ ০৩.৫২

দিন দর্পণ ডিজিটাল ডেস্কঃ

কথায় বলে, ‘যার বিয়ে তার হুঁশ নেই, পাড়া পড়শির ঘুম নেই।’ তবে ‘তাঁর’ ভাগ্যটাই যে খারাপ! মনে প্রাণে চাইছেন বিয়ে করতে। কিন্তু পাত্রী জুটছে না কিছুতেই। কাজেই পাত্রী খুঁজতে মাথা খাটিয়ে অভিনব পন্থা বের করেছেন নিজেই। মধ্য় প্রদেশের দামোহর বাসিন্দা ২৯ বছরের দীপেন্দ্র রাঠোর নিজের বিয়ের জন্য পাত্রীর খোঁজে ই-রিকশাতে সাঁটিয়েছেন পোস্টার। পাত্রী খুঁজতে সেখানেই নিজের পরিচয় উল্লেখ করেছেন।

ই-রিকশায় পাত্রী চাই-এর বিজ্ঞানের দীপেন্দ্র নিজের উচ্চতা, জন্মের তারিখ, রক্তের গ্রুপ, শিক্ষাগত যোগ্যতা, গোত্র সবকিছু নিখুঁত ভাবে উল্লেখ করে দিয়েছেন। পাত্রী খুঁজতে দীপেন্দ্রর এমন অভিনব পন্থা অবলম্বনে সায় রয়েছে তাঁর বাবা-মায়েরও।

অনেক দিন ধরেই বিয়ের শখ দীপেন্দ্রর। তবে মনমত পাত্রী জুটছে না। তাঁর কথায়, ‘সমাজে মেয়েদের সংখ্যা কমে যাওয়াতেই পাত্রী জুটছে না তাঁর কপালে।’ জানিয়েছেন, জাত-পাতে কোনও ভেদাভেদ নেই তাঁর কাছে। যে কোনও ধর্ম-জাতের মহিলাই তাঁর কাছে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসতে পারেন। শুধু তাই নয়, পাত্রী খুঁজতে একটি বিয়ের গ্রুপেও যোগ দিয়েছিলেন দীপেন্দ্র। কিন্তু সেখানেও নিজের শহরের মধ্য়ে থেকে কোনও পাত্রীর সন্ধান পাচ্ছেন না তিনি। এরপরেই নিজের ই-রিকশায় পাত্রী চাই-এর বিজ্ঞাপন লাগানোর সিদ্ধান্ত নেন দীপেন্দ্র। এখন দীপেন্দ্র জানাচ্ছেন, শহরের বাইরের কোনও মেয়ের সঙ্গেও বিয়ে করতে প্রস্তুত তিনি।

নেটিজেনদের অনেকে কৌতূহল প্রকাশ করেন। বিজ্ঞাপনে এমন অভিনবত্ব দেখে অনেকেই অবাক। তবে যুবকের অবশ্য সেসব দিকে খেয়াল নেই। লক্ষ্যে অবিচল দীপেন্দ্র। মনের মতো পাত্রীর কাছে পৌঁছে যেতে এই ই-রিকশা এবং হোর্ডিংই এখন তাঁর কথা ভরসা। তাঁর স্থির বিশ্বাস, এই বিজ্ঞাপনের হাত ধরেই একদিন তাঁর মনের মানুষের দেখা পাবেন।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *