সুপর্ণা দে, ১৩,০২.২৪ সময়ঃ ১২.২৪
দিন দর্পণ ডিজিটাল ডেস্কঃ প্রতি বছর মাঘ মাসের শুক্লো পক্ষের পঞ্চমী তিথিতে এই পুজো হয়। এই বছর দু-দিন ধরে এই তিথি পড়েছে। মঙ্গলবার অর্থাত্ ১৩ ফেব্রুয়ারি দুপুর আড়াইটে নাগাদ শুরু হবে পঞ্চমী তিথি। শেষ হবে ১৪ ফেব্রুয়ারি অর্থাত্ বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার পর।
তবে মঙ্গলবার সেভাবে কেউ পুজো না করলেও বেশিরভাগ পুজোটাই হবে বুধবার। এদিন ভোর থেকেই পুজো শুরু হযে যাবে প্রতি ঘরে ঘরে। স্কুল, কলেজ, পাড়ার ক্লাব, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, লাইব্রেরী, বিভিন্ন অফিসেও বুধবারই পুজো হবে।
এই পুজোতে রকমারি শাড়ি, গামছা, মটরশুঁটি,সিম, চাঁদমালা, বই,খাতা, পেন, ফল, নারকেলি কুল, নারকেল, কলা, খৈ, মুড়কি, মঠ, গোটা আখ দরকার হয়। বাসন্তী রঙের ফুল এই পুজোতে দরকার হয়। এছাড়াও পলাশ ফুল, দোয়াত, খাগের কলম, যবের শীষ, আম্রমুকুল, পঞ্চ শস্য, ঘি, মধু, দৈ, মিষ্টি, চিনি, কাঁচা দুধ, কচি ডাব, ধান, পঞ্চ গব্য, ধূনো, ধূপ, মোমবাতি, প্রদীপ, আল্পনা দরকার হয়।
পুজোর দিন হোমের ব্যবস্থা করা হয় বেলকাঠ, বেলপাতা ও বালি দিয়ে।
স্বস্তিক চিহ্ন দিয়ে প্রধান ঘট বসানো হয়, তাতে পঞ্চ পল্লব দিতে হয়। তিরকাঠি ও সুতো দিয়ে বন্ধন করতে হয়। যা দিয়ে দেবীর আরাধনা শুরু হয়।
পুজোর মধ্যেই পুস্পাঞ্জলী দেওয়া হয়।
অনেক জায়গায় মা সরস্বতীকে খিচুরি, লাবড়া, আলুরদম, পায়েস, চাটনি, লুচি, পোলাও সহযোগে ভোগ দেওয়া হয়।
এদিন শিশুদের হাতেখড়ি দেওয়া হয়।
সাদা এবং বাসন্তী রং মা সরস্বতীর পছন্দের রং। বিদ্যার দেবী মা সরস্বতী, মায়ের এক হাতে থাকে বীণা এবং আরেক হাত থাকে আর্শিবাদ হিসেবে। মায়ের পাশে থাকে বাহন হাঁস।
বিদ্যা লাভের জন্য এই পুজো করা হয়।
