মেহবুব গাজী, ০৬.০২.২৪ সময়ঃ ০৬.০৩
দিন দর্পণ ডিজিটাল ডেস্কঃ
অবশেষে কাটল জট , মঙ্গলেই নিয়োগপত্র বাম আমলের ‘বঞ্চিত’ ৩৬৪ চাকরিপ্রার্থীকে
দাবি ছিল একটাই – “দিতে হবে চাকরি , ঘোচাতে হবে বেকারত্বের তকমা’’।
শিক্ষাদপ্তরের উদাসীনতায় হয়নি স্বচ্ছ নিয়োগ। কেন হয়নি স্বচ্ছ নিয়োগ ? প্রশ্ন তুলে ধর্না , আন্দোলনের পাশাপাশি ডায়মন্ড হারবারে DPSC অফিসের সামনে আমরণ অনশন শুরু করেছিলেন ২০০৯ সালের ‘শিক্ষিত’বাম আমলের বঞ্চিত প্রাথমিক চাকরি প্রার্থীদের একাংশ
চাকরির দাবিতে অনশনরত আন্দোলনকারীদের সাথে কথা বলেন রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। ডায়মন্ড হারবারের ঘটনা। অনশনরত আন্দোলনকারীদের ধর্নামঞ্চে রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক। ২০০৯ ‘শিক্ষিত’বাম আমলের বঞ্চিত প্রাথমিক চাকরিপ্রার্থীদের ফলের রস খাইয়ে অনশন প্রত্যাহার করালেন রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক।
২০০৯ সালে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় মোট ১৮৩৪ টি শূন্যপদ ছিল। আগেই ১৫০৬ জনের তালিকা প্রকাশ হয়েছিল। তার মধ্যে বিভিন্ন কারনে ৫৭৬ জন চাকরিতে যোগ দেননি। বাকি যে ৩২৮ জন ছিলেন , তাঁদের মধ্যে ৩১৪ জনের এবং আগে যোগ না দেওয়া শূন্যপদে মঙ্গলবার ঐ শূন্যপদে আরো ৫ শতাংশ অর্থাৎ ৫০ জনকে ওয়েটিং লিস্ট থেকে নেওয়া হয়েছে। এদিন মোট ৩৬৪ জনের তালিকা প্রকাশিত হল। এদিন থেকেই তাঁদের নিয়োগপত্র দেওয়া শুরু হয়েছে বলেই খবর।
এদিন চাকরি প্রার্থীদের সঙ্গে দেখা করার পর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান অজিত নায়েকের সঙ্গেও দেখা করেন কুণাল।
পর্ষদ যখন এক ধাপ এগিয়েছে আপনাদেরও একধাপ এগোতে হবে। সরকার যখন ভাবনা চিন্তা করেছে তখন ধাপে ধাপে বাকি চাকরিপ্রার্থীদেরও নিয়োগ দেওয়া হবে।” বঞ্চিত প্রাথমিক চাকরি প্রার্থীদের এমনই আশ্বাস দেন কুণাল ঘোষ।
২০০৯ সালের সেই পরীক্ষার্থীদের নিয়োগ নিয়ে নানা জটিলতা তৈরি হয়। মামলা গড়ায় কলকাতা হাইকোর্ট পর্যন্ত। বহু লড়াইয়ের পর নিয়োগ পাচ্ছেন বাম আমলের বঞ্চিত প্রাথমিক চাকরি প্রার্থীরা।
