COVID 19- দেশে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে করোনা, আক্রান্ত শতাধিক


CORONA GROTH IN INDIA DAY BY DAY_ গত ২৪ ঘণ্টায় ৫২৯ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪.০৯৩ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের।

দিন দর্পণ, নয়াদিল্লিঃ দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৫২৯ জনের দেহে মিলল কোভিড ভাইরাসের (COVID-19)খোঁজ। যার ফলে গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা গিয়ে পৌঁছেছে ৪,০৯৩-তে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (MINISTRY OF HEALTH & FAMILY WELFARE) বুধবার যে পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে তাতে দেখা গিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে কোভিডে। তাদের মধ্যে দু’জন কর্নাটক (KARNATAKA)এবং এক জন গুজরাটের (GUJRAT)বাসিন্দা।

কোভিডের যে উপরূপ নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে বিশ্ব জুড়ে, সেই জেএন.১ (J.N.1)ভারতেও চিন্তায় রেখেছে বিশেষজ্ঞদের। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪০ জনের দেহে নতুন উপরূপের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, এই মুহূর্তে দেশে জেএন.১ রয়েছে মোট ১০৯ জন কোভিড রোগীর শরীরে।

গুজরাট, কর্নাটক, কেরলের মতো রাজ্যগুলিতে কোভিড নতুন উপরূপের সন্ধান মিলেছে। জেএন.১ আক্রান্ত ১০৯ জনের মধ্যে ৩৬ জন গুজরাট, ৩৪ জন কর্নাটক, ১৪ জন গোয়া, ন’জন মহারাষ্ট্র, ছ’জন কেরল, চার জন রাজস্থান, চার জন তামিল নাড়ু এবং দু’জন তেলঙ্গানার বাসিন্দা।

জেএন.১ আক্রান্ত বেশিরভাগ কোভিড রোগী বাড়িতেই নিভৃতবাসে রয়েছেন। এখনও পর্যন্ত তাদের তেমন গুরুতর কোনও শারীরিক সমস্যা দেখা যায়নি। তবে বিশেষজ্ঞেরা তাতে নিশ্চিন্ত হতে পারছেন না। নতুন করে কোভিডের বাড়বাড়ন্ত শুরু হলে জেএন.১ চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে তাঁদের একাংশ মনে করছেন।

কোভিড পজিটিভ (POSITIVE)হলেই এবার থেকে সাতদিন আইসোলেশনে (ISOLATION)থাকার নির্দেশ। দেশজুড়ে বাড়তে থাকা করোনা সংক্রমণের জেরে এবার এমনই সিদ্ধান্ত কর্নাটক সরকারের(KARNATAKA GOVT.)। শুধু তাই নয় কোভিডের নয়া উপরূপ জেএন.১-এ আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এ রাজ্যে। ফলে জনগণের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করেছে সিদ্দারামাইয়া (SIDDHARAMAYEA)সরকার।

কোভিডের নতুন এই উপরূপটির খোঁজ মিলেছিল গত সেপ্টেম্বর (SEPTEMBER) মাসে আমেরিকায় (USA)। তার পর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে জেএন.১-এর সন্ধান মিলেছে। ইউরোপের দেশগুলিতে উদ্বেগের মাঝে চিনেও আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে হু হু করে। ভারতের কেরলে জেএন.১-সহ প্রথম করোনা রোগীর সন্ধান মেলে। তার পর অন্য রাজ্যগুলিতেও ছড়িয়ে পড়ে এই উপরূপ। পশ্চিমবঙ্গে (WEST BENGAL) এখনও কোনও রোগীর দেহে জেএন.১ পাওয়া যায়নি। শীতে উৎসবের মরসুমে করোনা নিয়ে রাজ্যগুলিতে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ২০২০ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কোভিড আক্রান্তের হদিশ মিলেছিল জানুয়ারি মাসে। গত বছরও ওমিক্রনে (OMICRON)আক্রান্তের সবচেয়ে বেশি খবর এসেছিল জানুয়ারি (JANUARY) মাসেই। তবে ফেব্রুয়ারির (FEBRUARY)পর থেকে কমতে থাকে সংক্রমণ।

সরকার এখনও পর্যন্ত কোভিড ১৯-এর নয়া স্ট্রেনের (NEW STRAIN) জন্য বুস্টার ডোজের (BOOSTER DOSE) প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে ঘোষণা করেনি। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের উচ্চপদস্থ এক আধিকারিক বলেন, ‘কোভিড ১৯-এর সাব ভ্যারিয়ান্ট (SUB VARIENT) জেএন.১ আক্রান্তদের মধ্যে একাধিক উপসর্গ দেখা যাচ্ছে। তবে অধিকাংশের ক্ষেত্রেই হোম আইসোলেশনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।’ তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়ে মাস্কের ব্যবহার এবং শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার কথা বলেছেন চিকিৎসকরা।

——————–


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *