গোপাল সুন্দর বিশ্বাস, ৩১.০১.২৪ সময়ঃ ০৫.০০
দিন দর্পণ ডিজিটাল ডেস্কঃ তৃণমূল সভানেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবার আবাস যোজনায় বঞ্চিতদের ৩ তারিখ রেড রোডে জমায়েতের আহ্বান জানালেন।
বুধবার মালদহের সভা থেকে তিনি জানান, ওই রেড রোডে বেলা ১টা সময় বাবা সাহেব আম্বেদকরের মূর্তির সামনে জড়ো হবেন আবাস যোজনায় প্রকৃত প্রাপকরা।
জেলা নেতৃত্বই নিজেদের খরচে তাঁদের কলকাতায় নিয়ে আসবেন। এর জন্য কোনও রকম চাঁদা তোলা যাবে না বলেও স্পষ্ট নির্দেশ তৃণমূল সভানেত্রীর।
কেন্দ্রের বঞ্চনার শিকার বাংলা। কারণ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন BJP-বাংলার মাটিতে জমি না পেয়ে কোণঠাসা করার ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে মোদি সরকার।
১০০ দিনের কাজের প্রাপ্যর দাবিতে বারবার দরবার করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। দিল্লি গিয়ে আন্দোলন সংগঠিত করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও।
রোদে-জলে রাজপথের ধারে ধর্না দিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী সঙ্গেও অন্যান্য সাংসদদের নিয়ে আলোচনা করেছেন মমতা-অভিষেক। কিন্তু নিট ফল শূন্য। পয়লা ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কেন্দ্রকে সময় দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তার মধ্যে কোনও রকম সদর্থক সাড়া না মিললে ২ তারিখ থেকে ধর্নার কথা মঙ্গলবার সভা থেকেই ঘোষণা করেন মমতা। বুধবার, মালদহে তিনি জানান, আবাস যোজনার তালিকায় নাম থাকা প্রকৃত প্রাপকরাও কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা পাচ্ছেন না।
তৃণমূল সভানেত্রী আহ্বান জানান, “১১ লক্ষ বাড়ি যাঁরা ক্লিয়ার হওয়ার পরেও পাননি তাঁরাও জড়ো হোন।
৩ তারিখ বেলা ১টায় রেড রোডে বাবাসাহেব আম্বেদকর মূর্তির সামনে জমায়েত করা হবে।“ সেখান থেকেই বাংলার প্রাপ্যর দাবিতে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আওয়াজন তোলা হবে। “আমি দেখছি কত ধানে কত চাল।“
জেলা সভাপতিদের মমতা নির্দেশ দেন, জেলার তালিকা দিতে। সেই তালিকা দেখে মানুষকে নিয়ে আসার নির্দেশ দেন তৃণমূল সভানেত্রী।
তবে, একই সঙ্গে তাঁর নির্দেশ, “পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদের, ব্লকে পুরসভা থেকে বিধায়ক, সাংসদরা নিজেদের খরচে মানুষকে নিয়ে আসবেন। দরকার হলে একমাসের বেতন খরচ করে উদ্যোগ নেবেন। কিন্তু চাঁদা তুলে করবেন না।“
