সুপর্ণা দে, ৩০.০১.২৪ সময়ঃ ১২.৪৬
দিন দর্পণ ডিজিটাল ডেস্কঃ কেউ তাঁকে বাপু বলেন, আবার কেউ তাঁকে মাহাত্মা বলেন। তিনি সঠিক পথ অনুসরণ করে স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছিলেন এবং এই যুদ্ধে ভারতীয়দের পথ দেখিয়েছিলেন। তিনি জাতির জনক মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধি ৷ ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম প্রধান স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলেন মহাত্মা গান্ধি ৷ আজ তাঁর 77তম মৃত্যুবার্ষিকী ৷ স্বাধীনতার কয়েক মাস পর 1948 সালের 30 জানুয়ারি মহাত্মা গান্ধির মৃত্যু হয়। গান্ধিজির মৃত্যু বার্ষিকীতে তাঁকে স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, প্রাক্তন ও বর্তমান কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধি এবং মল্লিকার্জুন খাড়গে থেকে বাংলার মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷

গান্ধিজির সত্যাগ্রহ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা। এই আন্দোলন প্রতিষ্ঠা হয়েছিল অহিংস মতবাদ বা দর্শনের ওপর, যা ছিল ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম চালিকাশক্তি। মহাত্মা গান্ধি মৃত্যু দিবস অর্থাৎ 30 জানুয়ারি দিনটিকে মহাত্মা গান্ধিকে শ্রদ্ধা জানিয়ে শহিদ দিবস হিসেবে পালন করেন দেশবাসীরা। এই উপলক্ষে দিল্লির রাজঘাটে অবস্থিত গান্ধিজির সমাধিতে উপস্থিত হন ভারতের রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী। স্বাধীনতা সংগ্রামে গান্ধিজির অবদানকে স্মরণ করে তাঁকে শ্রদ্ধা জানান সকলেই।

বাপু ও শহিদদের স্মরণে 2 মিনিটের নীরবতা পালন করা হয় এদিন। এছাড়াও 23 মার্চ দিনটিকেও শহিদ দিবস হিসেবেও পালন করা হয়। ওইদিন স্বাধীনতা সংগ্রামী ভগৎ সিং, রাজগুরু এবং সুখদেবকে ফাঁসি দেওয়া হয়। সেই উপলক্ষে দু’দিন ভারতে শহিদ দিবস পালন হয় ৷


