বাবন ধুঁয়া, ১৭.০১.২৪ সময়ঃ ০৪.৪০
দিন দর্পণ ডিজিটাল ডেস্কঃ পূর্ব লাদাখের গালওয়ানে লালফৌজের আগ্রাসনের পর কেটে গিয়েছে তিন বছরেরও বেশি সময়। ২০২০ সালের ১৫ জুন পূর্ব লাদাখের গালওয়ানে আগ্রাসন চালিয়েছিল চিনের সেনা। ভারতীয় জওয়ানরা বাধা দিলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কিন্তু এবার প্রকাশ্যে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গেল, গালওয়ানের ঘটনার পরও অন্তত দুবার প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় দুই দেশের সেনার মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। সেনার এক অনুষ্ঠানে একথা জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, গত ১৩ জানুয়ারি সেনার ওয়েস্টার্ন কমান্ডের সদর দপ্তরে একটি অনুষ্ঠানে গ্যালান্ট্রি অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। সেখানে একটি ভিডিও দেখানো হয়। পরে সেটি ইউটিউবেও তুলে দেওয়া হয়। আর তাতেই বলা হয় ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২২ সালের নভেম্বরের মধ্যে ওই সংঘর্ষ ঘটেছে। কিন্তু পরে সেই ভিডিও সরিয়ে দেওয়া হয়। এনিয়ে সেনা কোনও মন্তব্য করেনি। প্রশস্তিপত্রে বলা দু’টি ঘটনাই ঘটেছে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২২ নভেম্বরের মধ্যে। যদিও এ নিয়ে সেনার তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া আসেনি। সেনার পশ্চিম কমান্ডের সদর দফতর চণ্ডীমন্দিরে। গত ১৩ জানুয়ারি সেখানেই বীরত্বের জন্য সেনাকর্মী এবং আধিকারিকদের পুরßৃñত করার অলঙ্করণ সমারোহের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানের ভিডিয়ো তাদের নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলেও প্রকাশিত হয়েছিল। তা থেকেই সেনার বীরত্বের দুই অভিযানের কথা মানুষ জানতে পারেন। যদিও সোমবার থেকে সেই ভিডিয়োটিও নামিয়ে নেওয়া হয়েছে। ২০২০ সালের জুনে গলওয়ান উপত্যকায় হাতাহাতির পর ভারতীয় সেনা ৩,৪৮৮ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর চিনের লালফৌজের মোকাবিলা করতে উচ্চ পর্যায়ের যুদ্ধ প্রস্তুতি শুরু করে দেয়। এর পরেই সম্প্রতি জানা গেল, পূর্ব লাদাখে গলওয়ানের পরেও একই রকম ভাবে পর পর অন্তত দু’বার চিনের সেনার চূড়ান্ত আগ্রাসী মনোভাবের মোকাবিলা করতে সফল হয়েছে ভারতীয় সেনা। তবে শুধু পূর্ব লাদাখই নয়, চিনের ফৌজ অরুণাচলের তাওয়াং সেক্টরেও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর একই রকম আগ্রাসনের ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করেছিল।
