MAHUA MOITRA CASE- বাংলো নিয়ে বিপাকে মহুয়া


বাবন ধুঁয়া, ১৭. ০১.২৪ সময়ঃ ০৪.৩২

দিন দর্পণ ডিজিটাল ডেস্কঃ মহুয়া মৈত্রর ব্যাখ্যায় অসন্তুষ্ট ডিরেক্টরেট অফ এস্টেট। ফলে ফের একবার বাংলো খালি করার নির্দেশ দিয়ে কার্যত আল্টিমেটাম দেওয়া হল তৃণমূলের এই বহিষ্কৃত সাংসদকে। উল্লেখ্য, লোকসভা থেকে বহিষ্কারের পর মহুয়াকে প্রথম ৭ জানুয়ারির মধ্যে বাংলো খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়। সে সময় মহুয়া দিল্লির বাংলোতে লোকসভা ভোট পর্যন্ত তাঁকে থাকতে দেওয়ার আর্জি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। কিন্তু, আদালত গোটা বিষয়টি ডিরেক্টরেট অফ এস্টেটের উপর ছেড়ে দেয়। এরপরই ৮ জানুয়ারি মহুয়ার নামে একটি নোটিশ জারি করা হয়। তিনদিনের মধ্যে তাঁকে বাংলো না ছাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে বলা হয়। জানা গিয়েছে, এরপর ১২ জানুয়ারি আরও একটি নোটিশ ইস্যু করে ডিরেক্টরেট অফ এস্টেট।বহিষ্কারের পরও কেন তাঁকে সরকারি বাংলোতে থাকতে দেওয়া হবে, এর উত্তর চাওয়া হয় মহুয়া মৈত্রর কাছে। সূত্রের খবর, তৃণমূলর নেত্রীর দেওয়া জবাবে সন্তুষ্ট হয়নি ডিরেক্টরেট অফ এস্টেট। ফলে নতুন করে তাঁকে অবিলম্বে বাংলো ছাড়ার নির্দেশ দিয়ে ফের ইস্যু করা হয়েছে নোটিশ। সাংসদ থাকাকালীন তাঁকে দিল্লির এই বাংলোটিতে বসবাসের অধিকার দেওয়া হয় তৃণমূল নেত্রীকে। বর্তমানে দিল্লিতে ৯বি, টেলিগ্রাফ লেনের বাংলোতে থাকেন মহুয়া মৈত্র। এই বাংলোতে থাকার দরুন মহুয়া মৈত্র একাধিক সরকারি সুযোগ-সুবিধাও পেয়ে থাকেন। এর মধ্যে রয়েছে টেলিফোন কানেকশন, দেড় লাখ ফোনকল, ৫০ হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ এবং ৪ হাজার কিলোলিটার জলের পরিষেবা। বাংলো ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই পরিষেবাগুলিও আর পাবেন না তিনি। লোকসভা নির্বাচনের আগে মার্চ মাস পর্যন্ত তাঁকে দিল্লির বাংলোতে থাকতে দেওয়া হোক। এমনই আর্জি ছিল মহুয়ার। দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। আদালত তাঁকে ডিরেক্টরেট অফ এস্টেটের কাছে আবেদন জানানোর নির্দেশ দেয়। বিচারপতি সুহ্মমন্যণ প্রসাদ জানিয়েছিলেন, নজিরবিহীন পরিস্থিতি তৈরি হলে সরকারি বাংলোর বাসিন্দাদের বাড়তি সময়ের জন্য থাকার অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু, সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বাসিন্দাকে একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের ভাড়াও গুণতে হয়। নির্দিষ্ট সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পর বাংলোতে থাকার জন্য মহুয়া কি এবার তবে ভাড়া গুণবেন? তবে যেহেতু মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় বহিষ্কৃত সাংসদকে অবিলম্বে বাড়ি খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ফলে ডিরেক্টরেট অফ এস্টেটের পক্ষ থেকে ভাড়া সংক্রান্ত কোনও তথ্য সামনে আসেনি। প্রসঙ্গত, ‘টাকার বিনিময়ে প্রশ্ন’ কাণ্ডে গত ৮ ডিসেম্বর মহুয়ার সাংসদ পদ খারিজ হয়। তাঁকে ৭ জানুয়ারির মধ্যে বাংলো খালি করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু নির্দিষ্ট ভাড়া দিয়ে লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত বাংলোটি ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছিলেন মহুয়া।

——————


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *