তারাদের দেশে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী আব্দুর রোজ্জাক মোল্লা


দিন দর্পণ, ১১এপ্রিলঃ দীর্ঘ দিন থেকে রোগভোগের পর প্রয়াত রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী আব্দুর রোজ্জাক মোল্লা।তিনি নিজের গ্রামের বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগণার বাঁকড়ি গ্রামে  নিজের বাড়িতে থাকতেন।শুক্রবার সকালে হঠাৎই তীব্র কাশি শুরু হয়।কিছুক্ষণের মধ্যেই সব শেষ হয়ে যায়।পরিবারের সদস্যদের মাঝেই না ফেরার দেশে চলে গেলেন আধুর রোজ্জাক মোল্লা।তাঁর মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ রাজনৈতিক মহল।

রোজ্জাক মোল্লার রাজনৈতিক জীবন শুরু ১৯৭২ সালে ভাঙড় বিধানসভা থেকে সিপিএমের টিকিটে জয়ী হয়ে।তারপর জয়ী হয়ে ভাঙড়ের বিধায়ক হন তিনি।১৯৭৭ সালে ক্যানিং পূর্ব বিধানসভা থেকে জিতে রাজ্যের মন্ত্রী হন।সুন্দরবন উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর সামলেছেন তিনি।২০১৪ সালে তাঁর দলবিরোধী মন্তব্যের জন্য তাঁকে বাম সংগঠন বহিষ্কার করেন।২০১৬ সালে তিনি তৃণমূলে যোগ দেন।বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড় থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।সেবার ভোটে জয়ীও হন রেজ্জাক মোল্লা।তৃণমূলের শাসনকালে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ দপ্তরের মন্ত্রীও ছিলেন তিনি।

রেজ্জাক মোল্লার প্রয়াণে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।প্রাক্তন মন্ত্রীর কর্মজীবনের প্রশংসা করে তাঁর পরিবারবর্গ, অসংখ্য অনুগামী ও শুভানুধ্যায়ীকে আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।ভাঙড়ের বাঁকড়ি গ্রামের ভূমিপুত্র রেজ্জাক মোল্লা নিজেকে বরাবর পরিচয় দিতেন ‘চাষার ব্যাটা’ বলে।রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সতীর্থ ছিলেন।কিন্তু,তাঁর সঙ্গে মতবিরোধও ছিল।দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন রেজ্জাক মোল্লা।বর্ষীয়ান রাজনীতিকের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ রাজনৈতিক মহল।ইতিমধ্যে তাঁর বাড়িতে ভিড় জমিয়েছেন নেতা-কর্মীরা।বেঁচে থাকাকালীন প্রায়শয়ই রেজ্জাক মোল্লার মুখে শোনা যেত, মরলে ভাঙড়ের বাঁকড়ির বাড়িতেই যেন কবর দেওয়া হয় তাঁকে।পরিবার সূত্রে খবর, শেষ ইচ্ছার কথা মাথায় রেখে ওই বাড়িতেই সম্ভবত সমাধিস্থ করা হবে রেজ্জাক মোল্লাকে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *