দিন দর্পণ, ২০ মার্চঃ আরও একবার ছত্তীশগঢ়ে মাওবাদী ও নিরাপত্তারক্ষীদের গুলির লড়াই চলে।বৃহস্পতিবার সকালে বিজাপুর ও কাঁকের জেলায় দুটি পৃথক সংঘর্ষের জেরে ২২জন মাওবাদী নিহত হয়।মাওবাদী দমনে এ এক বড় সাফল্য।মাওবাদী সংঘর্ষে পাল্টা আক্রমণে নিহত হয়েছেন একজন নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্য।এখনও দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে।গুরুত্বর আহত আরও দুই।
এ প্রসঙ্গে ছত্রিশগড় পুলিশের দাবি, আজ সকালে ৭টা নাগাদ দন্তেওয়াড়া জেলার সীমানা লাগোয়া বিজাপুরের গঙ্গালুর এলাকায় পাহাড়-জঙ্গল ঘেরা স্থানে যৌথবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ১৮ জন মাওবাদী নিহত হয়।একই সঙ্গে কাঁকেরে পৃথক সংঘর্ষের ঘটনায় মৃত্যু হয় চার মাওবাদীর।দুই জায়গা থেকেই বিপুল অস্ত্র এবং বিস্ফোরক সামগ্রী উদ্ধার করেন নিরাপত্তা বাহিনী।
এর আগেও বস্তার ডিভিশনের অন্তর্গত বিজাপুর এবং কাঁকের জেলার অবুঝমাঢ়ের জঙ্গলে গত কয়েক মাসে নিষিদ্ধ বস্তার ডিভিশনের অন্তর্গত বিজাপুর এবং কাঁকের জেলার অবুঝমাঢ়ের জঙ্গলে গত কয়েক মাসে নিষিদ্ধ সংগঠন সিপিআই (মাওবাদী)-এর সশস্ত্র শাখা পিএলজিএ (পিপল্স লিবারেশন গেরিলা আর্মি)-র সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।গত ৯ ফেব্রুয়ারি বিজাপুরে সিআরপিএফ এবং ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ৩১ জন মাওবাদী গেরিলা নিহত হয়েছিলেন।
গত ১৯ জানুয়ারি থেকে ছত্তীসগঢ়, মহারাষ্ট্র, ওড়িশা আন্তঃরাজ্য অভিযান চালাচ্ছে যৌথবাহিনী।ইতিমধ্যেই সংঘর্ষে দুশোর বেশি মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছে ওই তিন রাজ্যে।নিহতদের তালিকায় রয়েছেন মাওবাদী কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জয়রাম ওরফে চলপতি।আত্মসমর্পণ করেছেন নিহত মাওবাদী নেতা মাল্লোজুলা কোটেশ্বর রাও ওরফে কিষেণজির ভ্রাতৃবধূ বিমলা।তাঁর স্বামী মাল্লোজুলা বেণুগোপাল রাও ওরফে ভূপতি ওরফে বিবেক ওরফে সোনু নিষিদ্ধ সংগঠন সিপিআই (মাওবাদী)-র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য।
