দিন দর্পণ, কলকাতাঃ কী ভাবছেন ছুটিতে দার্জিলিং বা পুরী বেড়িয়ে আসবেন? সেই ভেবেই ঘুরতে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু করবেন ভাবছেন! তার প্রথম ধাপ হোটেল বুকিং।কারণ ঘুরতে গিয়ে হোটেল খোঁজার ঝামেলা অনেকেই রাখতে চান না।কিন্তু, এবার সেই দিক থেকেও সাবধান করে দিলো কলকাতা পুলিশ।গোয়ে ন্দা পুলিশের নজরে এবার অনলাইন হোটেল বুকিং।কলকাতা সহ বিভিন্ন জেলায় বহু মানুষ বেড়ানোর জন্য অনলাইনে হোটেল বুকিং করতে গিয়ে টাকা খুইয়েছেন।তাই এখন থেকেই পুলিশের পক্ষে থেকে পুরো রাজ্যের ভ্রমণপিপাসুদের সতর্ক করা হচ্ছে।
ইতিমধ্যেই, কলকাতা পুলিশ সোশাল মিডিয়ায় এই ব্যাপারে সতর্কবার্তা দিয়েছে।পুলিশের সূত্র জানানো হয়েছে, ছুটি পেলেই মানুষজন ছুটবেন কালিম্পং, দার্জিলিং, ডুয়ার্স।আবার অনেকে গরমের তোয়াক্কা না করে যাবেন পুরী বা অন্য কোনও সমুদ্র সৈকতে।কিন্তু, এখন অনলাইনের যুগে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রাজ্যবাসীর পছন্দ অনলাইনে বুকিং।রেল বা বাসের টিকিট অথবা হোটেলের বুকিং, বাড়িতে বসে অনলাইনেই সারতে চান বহু মানুষ।এবার সেখানেই ফাঁদ পাতছে সাইবার প্রতারকেরা।
বেশিরভাগ মানুষ হোটেল বুকিং করার সময় অনলাইনে সার্চ করেন হোটেলের ঠিকানা বা যে জায়গায় ঘুরতে যাবেন সেখানকার সমস্ত হোটেলের যাবতীয় বিবরণ।কোনও হোটেলের সন্ধান পেলে তার ওয়েবসাইটে গিয়ে যোগাযোগ করেন অনেকেই।সেক্ষেত্রে কয়েকটি ফোন নম্বরও দেওয়া থাকে।ফোন করলেই ওই বিশেষ হোটেলের কর্মী বলে পরিচয় দিয়ে কথা বলতে শুরু করে কোনও ব্যক্তি।সে জানায়, হোটেলের ঘরের খুবই চাহিদা।তাই বুকিংয়ের জন্য বেশিরভাগ টাকাই আগাম দিতে হবে।অনেকেই বিশেষ কোনও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সেই টাকা দিয়ে দেন।এরপর সেই টাকা উধাও হয়ে যায়।আবার অনেক সময় জালিয়াতরা কিউআর কোডও পাঠায়।তা স্ক্যান করলেই বুকিং হয়ে যাবে বলা হয়।কিন্তু স্ক্যান করা মাত্রই গ্রাহকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা উধাও করতে শুরু করে সাইবার জালিয়াতরা।একইভাবে কখনও একটি লিংকে ক্লিক করতে বলা হয়।ক্লিক করলেই অ্যাকাউন্ট থেকে হস্তগত করা হয় পুরো টাকা।এমনও দেখা গিয়েছে যে, চোখের সামনে বেশ কয়েক দফায় টাকা তুলে নেওয়া হচ্ছে।কিন্তু তা থামানোর কোনও উপায় নেই।শেষ পর্যন্ত দেখা যায়, ওই হোটেলের ওয়েবসাইটই জাল।যদি কোনও সন্দেহ হয়, তখন ১৯৩০ নম্বরে ডায়াল করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
