দিন দর্পণ, কলকাতাঃ বাংলার নারীদের উন্নতির জন্য একের পর এক যুগান্তকারী প্রকল্প চালু করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।লক্ষ্মীর ভান্ডার থেকে কন্যাশ্রী, রূপশ্রী ইত্যাদি।এবার বাংলার সেই রূপান্তরের মডেল পৌঁছে যাবে বিশ্বমঞ্চে।আগামী ২৭ মার্চ ২০২৫, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কন্যা সন্তান ও নারী ক্ষমতায়ন’ বিষয়ে বত্তৃ«তা দেবেন তিনি।আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মহিলাদের জন্য রাজ্যের সামাজিক ™রিষেবা প্রকল্পগুলিকে সামনে রেখে প্রচারে নামল তৃণমূল কংগ্রেস।তাঁরা মূলত লক্ষ্মীর ভান্ডার-এর সুবিধা ও অন্যান্য জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের প্রচারেই জোর দিলেন।
প্রতিবছরই বিশ্ব নারী দিবসে এক বিশেষ পদযাত্রার আয়োজন করে তৃণমূল মহিলা কংগ্রেস।একাধিকবার অংশ নিয়েছেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।নারী দিবসের ৫০ বছরে ‘দিদি বাংলার ঘরে ঘরে, এবার এই স্লোগানকে সামনে রেখে ময়দানে তৃণমূল।শনিবার বিকেল চারটে নাগাদ রবীন্দ্রসদন থেকে ডোরিনা ক্রসিং পর্যন্ত হয়েছে বছরের পদযাত্রা।এ ছাড়াও জেলায় জেলায় কর্মসূচি নিচ্ছে শাসক দলের মহিলা সংগঠন। আন্তর্জাতিক নারী দিবসে সর্ব ভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে নারীদের শুভেচ্ছাবার্তা জানানো হয়।সেই শুভেচ্ছাবার্তায় নারীদের উদ্দেশ্যে তিনি জানান নারীরা সকল দিক দিয়েই এগিয়ে থাকতে পারে।সেটা শিক্ষার দিক থেকে বা জ্ঞানের, বুদ্ধির দিক থেকে।সেই সঙ্গে নারীদের স্বাস্থ্য-শিক্ষা-সুরক্ষার উন্নয়নে প্রকল্পের পর প্রকল্পের আশ্বাস।জেলায় জেলায় কর্মসূচি নিচ্ছে শাসক দলের মহিলা সংগঠন।
রাজনৈতিক মহলের মতে, বিধানসভা ভোটের আবহে এই কর্মসূচি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের বহু মহিলারই ‘কাছের মানুষ’।সেই কারণেই মহিলা ভোট তৃণমূলের অন্যতম শক্তি। সকলের ‘কাছের মানুষ’, ‘জননেত্রী’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ভোটের এক বছর আগে মহিলা মহলে জনসংযোগের জন্য এই দিনটির পূর্ণ সদ্ব্যবহার করবেন রাজ্যের শাসক দলের মহিলা সংগঠন এমনই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। ইতিমধ্যেই একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করে ময়দানে নেমেছে শাসক দল।আজ শনিবার জনসংযোগে আরও এক ধাপ এগোতে চাইছে শাসক দল।মহিলা ভোট তৃণমূলকে বিপুল সমর্থন দিয়েছে।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে মহিলাদের সামাজিক পরিষেবা ইস্যুকে সামনে রেখেই বিশেষ কর্মসূচি নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।
