দিন দর্পণ, শ্রীহরিকোটাঃ অবশেষে পৃথিবীতে ফিরবেন সুনীতা উইলিয়ামস।কিন্তু, ফেরার আগেই তাঁর মন খারাপ।মাসের পর মাস পৃথিবী থেকে দূরে মহাকাশে কাটিয়েছেন সুনীতা উইলিয়ামস।দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ১৯ মার্চ বাড়ি ফিরছেন সুনীতা।আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে বসেই এক সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন সুনীতা।সাংবাদিক সম্মেলনে তাঁকে জানতে চাওয়া হয় পৃথিবীতে ফেরার পর তিনি এই অন্তরীক্ষবাসের অভিজ্ঞতার কোনটা মিস করবেন।তিনি এই প্রশ্নের জবাবে স্পষ্ট বলেন, সব কিছুই।তাঁর নিজের অভিজ্ঞতা জানতে চাইলে তিনি বলেন,এই নিয়ে আমি আর বুচ আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে এলাম তিনবার।আমরা একসঙ্গেই কাজ করেছি।এই জায়গাটাকেও বদলাতে দেখেছি একসঙ্গেই।এখানে থাকলে একেবারে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি প্রাপ্তি হয়।শুধুমাত্র জানলা দিয়ে বাইরে দেখাই নয়।এখান থেকে চলে যাওয়ার পরও এতদিনের প্রাপ্ত অনুপ্রেরণার ঝলকানি ও দৃষ্টিভঙ্গিকে আমি হারাতে দেব না।সবকিছুই বোতলবন্দি করে নিয়ে যাচ্ছি।
তাঁর কাছে সকলের প্রশ্ন,কেমন ছিল এই দশ মাস? মহাকাশে এতদিন বন্দি থাকার অভিজ্ঞতা? কতটা এবং কী কী চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছে? উত্তরে সুনীতা বলেন, আমাদের প্রতিদিন ফোকাস ঠিক রাখতে হত।কিন্তু আমাদের পরিবার ও সমর্থকরা, যাঁরা বাড়িতে ছিলেন, তাঁদের কাছে এটা ছিল রোলার কোস্টারের মতো।সবচেয়ে কঠিন ব্যাপারটা ছিল, কবে আমরা ফিরব সেটাই জানা ছিল না।এই অনিশ্চয়তাই ছিল সবচেয়ে কঠিন বিষয়।গত বছরের মে মাসে স্পেস এক্সের রকেটে চড়ে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছেছিলেন সুনীতা উইলিয়ামস, বুচ উইলমোর।কিন্তু, তাঁদের ফেরার কথা ছিল জুন মাসেই।যান্ত্রিক রকেটে ত্রুটির কারণে তাঁদের ফেরা বিলম্বিত হয়েছে।মার্চে পৃথিবীর মাটিতে তাঁরা পা রাখতে পারবেন বলে জানিয়েছে নাসা।আর ফেরার প্রাক্কালেই সুনীতা জানালেন, যতই প্রতিকূল হোক এই ক’দিনের অভিজ্ঞতা, তবুও এখানকার সব কিছুই তিনি মিস করবেন।
