দিন দর্পণ, জলপাইগুড়িঃ গরুমারা ও জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানে শুরু হলো গন্ডারশুমারি।বুধবার থেকে এরাজ্যে একশৃঙ্গ গন্ডার গণনার কাজ শুরু হয়েছে।এই গণনা চলবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত।এই গণনায় বনকর্মীদের পাশাপাশি রয়েছে পরিবেশ কর্মী সংগঠনের সদস্যরা।বিগত দুইবছর পরে গন্ডার শুমারি করা হচ্ছে।এই দুবছর পর জলদাপাড়া অভয়ারাণ্যে গন্ডারের সংখ্যা অনেকটাই বাড়েছে বলে মনে করছেন বনকর্তারা।
গরুমারা জাতীয় উদ্যানে গন্ডারের সংখ্যা ধাপে ধাপে বাড়ছে।ইতিমধ্যেই জলদাপাড়ায় গন্ডারের সংখ্যা ৩০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে।গরুমারায় গন্ডারের সংখ্যা এবার ৬০-এর ঘর ছাড়িয়ে যাবে বলে মনে করছেন বন কর্তারা।ড্রোন উড়িয়ে চলছে গন্ডারশুমারি।৫ ও ৬ মার্চ গন্ডারশুমারির দু’দিন পর্যটকরা জাতীয় উদ্যানের প্রবেশ করতে পারবেন না।উত্তরবঙ্গ বন্যপ্রাণী বিভাগের মুখ্য বনপাল জেভি ভাষ্কর বলেন, ক্ষ্মগরুমারা জাতীয় উদ্যান ও জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের দুই জঙ্গলেই গন্ডারের সংখ্যা বাড়বে বলে আমরা মনে করছি।গণনা শেষ হলেই প্রকৃত সংখ্যা জানা যাবে। এই শুমারিতে একশৃঙ্গ গন্ডারের খাদ্য ও বাসস্থানের বর্তমান অবস্থা, কী তাও জানা যাবে।দুই জাতীয় উদ্যানে কয়েকশো বনকর্মী ও বন্যপ্রাণীপ্রেমী সংগঠনের সদস্যরা শুমারিতে অংশ নিয়েছেন।দু’দিন ধরে শুমারি চলবে।কোন এলাকায় ক’টা গন্ডার রয়েছে।এর মধ্যে পুরুষ ও স্ত্রী গন্ডারের সংখ্যা কত, তা আলাদা করে উল্লেখ করা হবে।ক্ষ্ম
২০২২ সালের গণনায় গরুমারা জাতীয় উদ্যানে গন্ডারের সংখ্যা ছিল ৫৮।প্রাথমিক অনুমান, এবার সেই সংখ্যা আনেকটাই বাড়বে।পরোক্ষ পদ্ধতিতে গন্ডারের বিষ্ঠা সংগ্রহ করে ডিএনএ পরীক্ষা জন্য পাঠানো হবে।এতে গন্ডারটির বয়স, স্বাস্থ্য এমনকি জিনগত কোনও সমস্যা রয়েছে কি না, তা সবই জানা যাবে।গুরুমারা বন্যপ্রাণী বিভাগের বনাধিকারিক দ্বিজো প্রতীম সেন জানান, গন্ডার সংরক্ষণ ও জঙ্গলের সার্বিক নিরাপত্তায় জোর দেওয়া হয়েছে।গন্ডারের সংখ্যা বেড়েছে আসা করছি।গণনার পরেই তা নিশ্চিত ভাবে জানা যাবে।প্রত্যক্ষ পদ্ধতিতেই গণনা হবে।গন্ডারের ছবি ক্যামেরাবন্দি করা হবে।জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের ডিএফও জানান, জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের শেষ গন্ডারশুমারি গন্ডার ছিল ২৯২টি এবার গন্ডার আরও বাড়বে বলে আমরা আশাবাদী।
