দিন দর্পণ, কলকাতাঃ রাজ্যে আজ থেকে শুরু হয়েছে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা।ইতিমধ্যেই প্রথম দিনের পরীক্ষা দিয়েছে পরীক্ষার্থীরা।প্রথমদিনে বাংলা পরীক্ষা দিয়ে সকল পরীক্ষার্থীকেই খুশি হতে দেখা যায়।তাদের সকলের কথায় বাংলার প্রশ্নপত্র সহজই ছিল।এই বছরই ২০২৫ সালে শেষবার পুরনো সিলাবাসেউচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে সেমিস্টার পদ্ধতিতে হবে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা।এই বছর ৫লক্ষ ৯হাজার পরীক্ষার্থী উচ্চমাধ্যমিক দিচ্ছে।সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরু হয়েছে এবং শেষ হয়েছে ১টা ১৫ মিনিটে।মোট পরীক্ষাকেন্দ্র ৭৯৮টি।তার মধ্যে স্পর্শকাতর হিসাবে ১৩৬টিকে চিহ্নিত করা হয়েছে।নকল রুখতে তৎপর উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ।পরীক্ষাকেন্দ্রের বাইরে মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে বন্দোবস্ত করা হয়েছে।
সমস্ত পরীক্ষাকেন্দ্রের বাইরের মূল দরজায় এবং সুপারভাইজারের ঘরে থাকছে সিসিটিভি।পরীক্ষাকেন্দ্রের প্রত্যেক ঘরে দু’জন করে পর্যবেক্ষক বাধ্যতামূলক।প্রতি ২৫জন পরীক্ষার্থী পিছু একজন করে পর্যবেক্ষক থাকাবে।যদি কোনও ঘরে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৫০-এর বেশি হলে, সেখানে তিনজন পর্যবেক্ষক রাখতে হবে।এ বছর থেকে ছোট ছোট প্যাকেটে স্কুলগুলিতে প্রশ্নপত্র পাঠাবে সংসদ।প্রধান শিক্ষক বা ভেন্যু সুপারভাইজারের ঘরে প্যাকেট খোলা হবে না।পরীক্ষাহলে গিয়ে পরীক্ষার্থীদের সামনেই প্রশ্নপত্র খুলতে হবে।পরীক্ষাকেন্দ্রের দায়িত্ব থাকবে ভেন্যু সুপারভাইজারদের উপরে।পরীক্ষাকেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে কোনও অবাঞ্ছিত ব্যক্তি প্রবেশ করতে পারবেন না।পরীক্ষাকেন্দ্রে কাছাকাছি ফোটোকপির কোনও দোকান খোলা রাখা যাবে না।পরীক্ষাকেন্দ্রের পাশে কোনও মাইক বাজানো যাবে না।ক্যালকুলেটর ছাড়া মোবাইল বা অন্য কোনও বৈদ্যুতিন যন্ত্র নিয়ে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে পারবেন না পরীক্ষার্থীরা।যদি কোনও পরীক্ষার্থী মোবাইল নিয়ে বা টোকাটুকি করতে গিয়ে ধরা পড়লে তার সেই বছরের পরীক্ষা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
