দিন দর্পণ, নয়াদিল্লিঃ আদালতে সাক্ষীর ন্যূনতম কোনও বয়সের সীমা থাকছে না।যে কোনও সাক্ষীর মতোই কোনও শিশুর সাক্ষ্য সমান গুরুত্বপূর্ণ।কিন্তু, তাতে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে শিশুটি সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্য কিনা।যদি সেই সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্য হয় তাহলে যে কোনও বয়সেই সাক্ষ্য দিতে পারবে এবং তা গ্রহণযোগ্য হবে।এক খুনের মামলায় এমনই পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের।এক খুনের ঘটনায় এক ব্যাক্তির বিরুদ্ধে তাঁর স্ত্রীকে খুনের অভিযোগে হাইকোর্ট ওই দম্পতির সাত বছরের কন্যার সাক্ষ্যকে মান্যতা দেয়নি।উপযুক্ত সাক্ষ্য প্রমাণের অভাবে অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস দেয় আদালত।পরে এই কেস সুপ্রিম কোর্টের আওতায় আসে।
বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্টের রায়কে খারিজ করে দেয়।শীর্ষ আদালত জানায়, ভারতীয় সাক্ষ্য আইনে, সাক্ষীর কোনও বয়স নির্ধারিত করে দেওয়া হয়নি।সেই কারণে যদি কোনও শিশু প্রত্যক্ষদর্শী হয়, তবে তার সাক্ষ্য বাতিল করা যাবে না।এই মামলা চলাকালীন দাবি করা হয়, যখন খুনের ঘটনা ঘটে তখন ওই দম্পতির সাত বছরের কন্যা বাড়িতে ছিল।সে তার মাকে চোখের সামনে খুন হতে দেখে উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্ট খুনের মামলায় মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্টের রায় খারিজ করে অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে।তাঁকে যাবজ্জীবন কারাবাসের সাজা শোনায়।শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, অনেক ক্ষেত্রেই শিশুদের সাক্ষ্য বাতিল করে থাকে আদালত।কারণ, শিশুরা সহজেই প্রভাবিত হতে পারে।তাই কোনও শিশুর সাক্ষ্যগ্রহণের ক্ষেত্রে আদালতকে সতর্ক থাকতে হবে।ওই শিশু কারও দ্বারা প্রভাবিত হয়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে কি না, তা দেখতে হবে বলেও জানায় সুপ্রিম কোর্ট।
