দিন দর্পণ, প্রয়াগরাজঃ মহাকুম্ভের দিন যত শেষের দিকে এগিয়ে আসছে ততই মানুষের মধ্যে মহাকুম্ভে একবার পুণ্যস্নান করার উন্মাদনা বেড়েই চলেছে।আগামী বুধবার রয়েছে মাঘী পূর্ণিমা তার আগে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে কোমর বেঁধে নামল যোগী সরকার।মাঘী পূর্ণিমার সময় মানুষের ভিড় উপচে পড়ার মত হবে বলেই ধারণা।তাই পরিস্থিতি সামাল দিতে নয়া নিয়ম লাগুর পাশাপাশি শীর্ষ আধিকারিকদের নিযুক্ত করা হয়েছে।বিপুল জনজোয়ারের কারণে সম্প্রতি ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ ট্রাফিক জ্যাম ইতিমধ্যেই বিশ্বের বড়ো জ্যামের আখ্যা পেয়েছে।
প্রবল ভিড়ের চাপ সামাল দিতে মঙ্গলবার ভোর ৪টে থেকে নয়া নিয়ম লাগু হয়ে গিয়েছে প্রয়াগরাজে।নয়া নিয়মে বলা হয়, মেলা চত্বরে কোনও গাড়ি প্রবেশ করানো যাবে না।দুই চাকা থেকে চার চাকা সমস্ত গাড়িতে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে।গোটা প্রয়াগরাজে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে নেমে পড়েছেন পুলিশ কর্মী ও আধিকারিকরা।সরকার জানিয়ে দিয়েছে, আজ থেকে বিকেল ৫টার পর শহরের বাইরের জেলা বা রাজ্য থেকে আসা কোনও গাড়িকে ঢুকতে দেওয়া হবে না।মাঘী পূর্ণিমার নির্দিষ্ট তিথি শেষ না হওয়া পর্যন্ত লাগু থাকবে এই নিয়ম।
রাজ্যের ডিজিপি প্রশান্ত কুমার বলেন, তইতিমধ্যেই ৪০ কোটি মানুষ ডুব দিয়েছেন ত্রিবেণী সঙ্গমে।বিপুল মানুষের ভিড় ও গাড়ির ফলে তৈরি হওয়া এই ট্রাফিক সমস্যা সামাল দেওয়া যে কোনও প্রশাসনের কাছেই কঠিন।যত নিখুঁত ব্যবস্থাই করা হোক না কেন বর্তমান পরিস্থিতিতে তা কম পড়ে যায়।পুলিশকর্তা আরও বলেন, পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রত্যেক পুলিশকর্মী ও আধিকারিকরা দিন-রাত পরিশ্রম করছেন।পুণ্যার্থীদের সব রকম সহায়তা করা হচ্ছে।নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে কোনও খামতি রাখা হয়নি।তবে বিপুল পুণ্যার্থীর এই ভিড় সামলানো অতিমানবীয় কাজ।তারপরও আমাদের পুলিশকর্মীরা, ধৈর্য ধরে উৎসাহের সঙ্গে কাজ করে চলেছেন এটা প্রশংসনীয়।তিনি আরও বলেন, বিশ্বের সব থেকে বেশি জনসমাগম হয়েছে প্রয়াগরাজে।উত্তরপ্রদেশ পুলিশ অবিশ্রাম কাজ করে চলেছে।এই ঐতিহাসিক সমাবেশকে সফল করার উদ্দেশ্যে কাজ করছেন সেটাও দেখতে হবে।ফলে শুধু সমালোচনা করলেই তা হবে না।তাদের ধৈর্য ও নিষ্ঠাও দেখতে হবে।
