দিন দর্পণ, কলকাতাঃ আগামী ১০ই ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ বোর্ডের মাধ্যমিক পরীক্ষা।মাধ্যমিক পরীক্ষার আগে পরীক্ষার্থীদের দেহ তল্লাশি করে পরীক্ষা হলে তবেই প্রবেশ করতে পারবে।তবে বিশেষ প্রয়োজন হলে কোনও পরীক্ষার্থীর অভিভাবক যদি পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢোকেন, তা হলে এ বার থেকে সেই অভিভাবকের দেহ তল্লাশি করবে পুলিশ।মঙ্গলবার এ কথা জানিয়েছেন মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়।
মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি বলেন, সাধারণত পরীক্ষার্থীর সাথে অভিভাবকের পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢোকার নিয়মই নেই।বিশেষ কোন পরিস্থিতিতে অভিভাবকদের ঢুকতে দেওয়া হয়।কিন্তু, অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, বিশেষ প্রয়োজনে অভিভাবকেরা ভিতরে ঢুকে টুকলির কাগজ বা মোবাইল ফোন দিয়ে গিয়েছেন পরীক্ষার্থীকে।কয়েকটি ক্ষেত্রে ধরাও পড়েছেন গিয়েছেন তাঁরা।এসমস্ত কারণেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, কোনও অভিভাবক পরীক্ষার হলে প্রবেশ করলে ঢোকার ও বেরোনোর সময়ে পুলিশ তাঁর দেহ তল্লাশি করবে। অতীতে এমনও কিছু ঘটনা ঘটেছে, যাতে রীতিমতো পরিকল্পনা করে করা হয়েছে। রামানুজ জানান, নানা ধরনের অজুহাতে অভিভাবকদের ভিতরে ঢোকার ঘটনা ঘটে।যেমন, কোনও পরীক্ষার্থী সঙ্গে জরুরি ওষুধ নিতে ভুলে গিয়েছে, তাকে ওষুধ দিয়ে আসতে হবে, এমন অজুহাতে পরীক্ষা কেন্দ্রের ভিতরে ঢুকে পরীক্ষার্থীর পরিচিত কেউ তাকে মোবাইল দিয়ে এসেছেন।
১০লক্ষেরও বেশি পরীক্ষার্থী মাধ্যমিক দেয়।এত সংখ্যক পরীক্ষার্থীর দেহ তল্লাশি করা পুলিশের পক্ষে খুবই কঠিন।তাই পরীক্ষার্থীদের দেহ তল্লাশি শিক্ষকেরাই করবেন।কিন্তু কোনও বিশেষ দরকারে প্রাপ্তবয়স্ক কেউ পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢুকে পরীক্ষার্থীর সঙ্গে দেখা করতে চাইলে তাঁর দেহ তল্লাশি করবে পুলিশ।পরীক্ষাকেন্দ্রর ভিতরে কোনও সিভিক ভলান্টিয়ার রাখা যাবে না।সিভিক ভলান্টিয়ারেরা সাধারণত এলাকার বাসিন্দা হন।পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রও তাদের বাড়ির আশপাশের এলাকার মধ্যেই হয়।তাই পরীক্ষা কেন্দ্রের ভিতরে ওই সিভিক ভলান্টিয়ারের পরিচিত কোনও পরীক্ষার্থী থাকতেই পারে। সেই পরীক্ষার্থী যাতে কোনও রকম বাড়তি সুবিধা বা টুকলির সুযোগ না পায়, তা নিশ্চিত করতেই সিভিক ভলান্টিয়ারদের পরীক্ষা কেন্দ্রের ভিতরে রাখা যাবে না।
