রাজ্যের ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ মুর্শিদাবাদের গঙ্গাভাঙন রোধে


দিন দর্পণ, মুর্শিদাবাদঃ বছরের প্রথমে ২০ জানুয়ারি অর্থাৎ সোমবার থেকে চারদিনের জেলা সফর শুরু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এদিন মুর্শিদাবাদের লালবাগের নবাব বাহাদুর ইনস্টিটিউশনে সরকারি পরিষেবা প্রদান করেন তিনি।মুর্শিদাবাদ জেলার বাসিন্দাদের এক অভিশাপ ভাঙন।গঙ্গার পাড়ের প্রতি বছরই বর্ষার মরশুমে প্রচুর কাঁচা বাড়ি তলিয়ে যায়।এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে ফের কেন্দ্রের বঞ্চনার অভিযোগে সরব হলেন মমতা।এই সমস্যা সমধানে গঙ্গাভাঙন রোধের জন্য একাধিকবার কেন্দ্রের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য সরকার।কিন্তু, এক্ষেত্রেও সেই বঞ্চনাই প্রাপ্তি হয়েছে বলে ফের অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।গঙ্গাভাঙন রোধে কাজ করবে রাজ্য সরকারই।৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হল তার জন্য।

কেন্দ্রীয় বঞ্চনার কথা বলতে গিয়ে মমতার কথায় উঠে এল ২০২৩ সালে একশো দিনের কাজের টাকার দাবিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়দের দিল্লি অভিযানের কথা।তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে দেখা করার সময় দিয়েও হাজির ছিলেন না কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত মন্ত্রী সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতি।উলটে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে কৃষি ভবনে ঢুকতে গিয়ে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন অভিষেক, দোলা, বীরবাহারা।টেনেহিঁচড়ে তাঁদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে।মানুষের জন্য লড়াই করতে গিয়ে অত্যাচারের মুখে পড়তে হয়েছে।

রাজ্য বিভিন্ন সময়ে বিএসএফের দিকে আঙুল তুলেছেন।ভুয়ো পাসপোর্ট চক্র, রাজ্য থেকে বেশ কয়েক জন জঙ্গি, অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়ার পরে সমালোচনার মুখে পড়েছিল রাজ্য।সেই আবহে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, বিএসএফই রাজ্যে গুন্ডা, লোক ঢোকাচ্ছে।সরকারি ভাবে তার জবাবও দিয়েছিল বিদেশ মন্ত্রক।এ বার মুর্শিদাবাদে দাঁড়িয়ে মমতা জানিয়ে দিলেন, তিনি চান, সীমান্তে শান্তি প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব নেবে বিএসএফ।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *