বিশ্ববিদ্যালয় গুলিতে শিক্ষকদের ৭৫% র‍্যাঙ্কিং বাধ্যতামূলক


দিন দর্পণ, কলকাতাঃ এবার র‍্যাঙ্কিং এর ক্ষেত্রে ৭৫% শিক্ষক থাকতেই হবে কলেজ এ।বিশ্ববিদ্যালয় গুলিতে এমনই গাইডলাইন প্রকাশ করেছে ইউজিসি।কোনও কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের পদ ৭৫ শতাংশ পূর্ণ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে।তাছাড়া, ইউজিসির নির্ধারিত ছাত্র শিক্ষক অনুপাত সঠিক কিনা তাও দেখা হবে।তার ভিত্তিতে নির্দিষ্ট নম্বর প্রদান করা হবে যাবতীয় কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে।সম্প্রতি অনুমান করা হচ্ছে, ইউজিসির নির্ধারিত ছাত্র শিক্ষক অনুপাত সঠিকভাবে মানা হচ্ছে না।সেক্ষেত্রেই এই বিশেষ গাইডলাইন প্রকাশ করা হয়েছে ইউজিসির তরফে।এমনকি এই গাইডলাইনে ছাত্র ও শিক্ষকদের শূণ্যপদের উপর ভিত্তি করে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ব্যাঙ্কিং-এর বিষয়েও জানানো হয়েছে।তবে এখনও পর্যন্ত এই গাইডলাইন চূড়ান্ত হয়নি।

এই গাইডলাইনে বলা রয়েছে, কোনও কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের পদ ৭৫ শতাংশ পূর্ণ রয়েছে কিনা তা দেখা হবে।তাছাড়া, ইউজিসির নির্দিষ্ট করে দেওয়া ছাত্র শিক্ষক অনুপাত ঠিক রয়েছে কিনা তাও দেখা হবে।তার ভিত্তিতে নির্দিষ্ট নম্বর দেওয়া হবে সংশ্লিষ্ট কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়কে।আর এই নম্বরের উপর ভিত্তি করে বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের ব্যাঙ্কিং করা হবে।উল্লেখ্য, ইউজিসির নিয়ম অনুযায়ী বলা হয়েছে, ২০ থেকে ২৫ জন পড়ুয়ার মাথাপিছু একজন করে শিক্ষক থাকতে হবে।তবে দেখা যাচ্ছে, রাজ্যের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজগুলি সেই শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ।এছাড়াও, জানিয়ে দেওয়া হয়েছে নির্দিষ্ট করে দেওয়া ৭৫ শতাংশ পদে অস্থায়ী বা অতিথি অধ্যাপকদের ধরা যাবে না।অর্থাৎ এই ৭৫ শতাংশ পদে থাকতে হবে স্থায়ী অধ্যাপক।

যদিও অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থায়ী অধ্যাপকদের দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চলছে।কলকাতার বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে যেমন রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়,যেখানে শিক্ষকের ৪০ শতাংশ পদ শূন্য রয়েছে।সেখানে অতিথি অধ্যাপকদের উপরেই ভরসা করতে হয় বিশ্ববিদ্যালয়কে।আবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ শূন্য পদ রয়েছে।এই শূন্য পদে কোনো স্থায়ী শিক্ষক নেই।এই অবস্থায় স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়েছে সংগঠনগুলি।শিক্ষক সমিতির বক্তব্য সমস্ত প্রতিষ্ঠান সঠিকভাবে চালাতে গেলে শিক্ষক নিয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।শিক্ষক নিয়োগ না হলে পড়ুয়াদের পড়াশোনার ক্ষতি নিশ্চিত।কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০ শতাংশের উপরে শিক্ষকপদ ফাঁকা রয়েছে বলে দাবি শিক্ষক সংগঠন কুটার।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *