দিন দর্পণ, ৬ জানুয়ারিঃ সাধারণ মানুষের মনে ইতিমধ্যেই আতঙ্ক দানা বাঁধতে শুরু করেছে।২০২০ সালের কোভিডের ভয়ানক পরিস্থিতি মানুষের মনে এখনও টাটকা।এরই মধ্যে এইচএমপিভি খেলা দেখাতে শুরু করেছে চিনে।চিনের ভয়ানক পরিস্থিতি সামনে আসার পরেই ভারতে ৬তারিখ দুপুরের মধ্যে আক্রান্ত হয়েছে, তিনশিশু।বেঙ্গালুরুতে দুই এবং আহমেদাবাদের এক শিশু।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক বলছে, এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই।তাদের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, শিশুদের দেহে এইচএমপিভি মিললেও সেটি চিনা ভ্যারিয়েন্টের নয়।আক্রান্ত শিশুরাও কোনোরকম ট্রাভেল হিস্ট্রি নেই।উল্লেখ্য, সোমবার সকালেই তিন শিশুর এইচএমপিভি আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসে।তাদের মধ্যে দুজন বেঙ্গালুরুর, অন্যজন আহমেদাবাদের।
স্বাস্থ্যসচিব গুপ্তা জানান, এই ভাইরাস নিয়ে চিন্তা করার কোনও প্রয়োজন নেই।এইচএমপিভি ভারতেও আছে।তবে এই ভাইরাসটির কোনও পরিবর্তন হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।চিনে ভাইরাসটির যে রূপ ছড়িয়ে পড়েছে, সেটির গঠনের বিষয়ে এখনও কোনও সঠিক তথ্য নেই।এই ভাইরাসের চিনা রূপ নাকি স্বাভাবিক এইচএমপি ভাইরাসের সংক্রমণ, তা এখনও বলা যাচ্ছে না।সাধারণ এইচএমপি ভাইরাসের ভারতে অতীতেও দেখা গিয়েছে বলে জানান তিনি।তবে স্বাস্থ্য দফতর এই সংক্রমণের ঘটনা খতিয়ে দেখছে বলে জানান স্বাস্থ্যসচিব।
বেঙ্গালুরুর ব্যাপটিস্ট হাসপাতালে ভর্তি থাকা দুই শিশুর মধ্যে একজন ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়ে উঠছে।হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে তিনমাস বয়সি ওই শিশুকন্যাকে।তবে আটমাস বয়সি শিশুপুত্রটি এখনও চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে হাসপাতালে রয়েছে।দুই শিশু সম্প্রতি বিদেশে যায়নি।তাই তাদের দেহে এইচএমপিভি ভাইরাস থাকলেও সেটি চিনা প্রজাতির নয়।এমন পরিস্থিতিতে জানা গিয়েছে, আহমেদাবাদের এক শিশুও এইচএমপিভি আক্রান্ত হয়েছে।১১ বছরের কম বয়সিদের মধ্যেই সাধারণত দেখা যায় এইচএমপিভি অর্থাৎ হিউম্যান মেটানিউরোভাইরাস।জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ০.৭ শতাংশের দেহে থাকে এইচএমপিভি।কিন্তু, সম্প্রতি এই ভাইরাসের কোনও একটি প্রজাতি চিনে দাপট দেখাচ্ছে।ভারতের মানুষের মনে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে এই ভাইরাস।
