দিন দর্পণ, কলকাতাঃ সামনেই বড়দিন।আর বড়দিন মানেই বাঙালীর মনে এক আনন্দের সঞ্চার।এমন সময় এক টুকরো কেক না পেলে বড়দিনের আমেজটাই যেন পরিপূর্ণ হয় না।তবে এবার এই কেক তৈরিতে মেশানো হচ্ছে দেদার ভেজাল।এমনকি এই সুস্বাদু ফ্রুটকেকের মাধ্যমেই শরীরে ঢুকতে পারে ক্যানসারের মতো রোগের উপাদান, এমনটাই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।কলকাতা পুরসভা সূত্রে জানানো হয়েছে, সতর্কতার বিষয়টি মাথায় রেখে বাজারে বিক্রি হওয়া ফ্রুট কেক সহ অন্যান্য কেকেও কতটা ভেজাল মেশানো রয়েছে, তা পরীক্ষা করে দেখতে তল্লাশি চালাবেন কলকাতা পুরসভার ফুড সিকিউরিটি অফিসাররা।
ফ্রুট কেকের উপরে ছড়িয়ে থাকা রঙিন ফলের টুকরো ক্রেতাদের আকর্ষিত করে।এই ধরণের ফলের টুকরোকে আরও বেশি উজ্জ্বল ও রঙিন করতে ব্যবহার করা হয় ক্ষতিকারক কৃত্রিম রং ও জেল।যাতে থাকে ক্রোমিয়াম, আর্সেনিকের মতো একাধিক ক্ষতিকারক উপাদান। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক প্রশান্ত বিশ্বাস জানান, ‘এই সব উপাদান স্নায়ুতন্ত্র, কিডনি, লিভারের সমস্যা বাড়ায়।শুধু তাই নয়, ক্যান্সারের কারণও হতে পারে।’তিনি বলেন, কেকের অন্যতম ক্ষতিকারক উপাদান হলো পচা ডিম।এই সময়ে ডিমের চাহিদা দ্বিগুণ হয়। যা যোগাতেই সাহায্য নিতে হয় অপরিণত পচা ডিমের।এই ডিমে থাকা ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে মানুযের শরীরে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।যেমন, পেট খারাপ, বমিভাব প্রভৃতি।এই পচা ডিমের দুর্গন্ধ দূর করতে প্রচুর সুগন্ধী মেশানো হয়।আর এই সুগন্ধীতে থাকে বেশ কিছু ক্ষতিকারক কেমিক্যাল।যা মানুষের শরীরের জন্য বেজায় ক্ষতিকর।কেকের আরও এক অন্যতম বিপদ থাকে ময়দায়।এই ধরণের মরশুমে ময়দা মেখে দিন পাঁচেক ফেলে রাখা হয়।যে কারণে মাখা ময়দায় ছত্রাক জন্মায়।যা শরীরে গেলে ত্বক,সহ বিভিন্ন রকমের সমস্যা তৈরি করতে পারে।
