দিন দর্পণ, কলকাতাঃ সাইবার প্রতারণার ঘটনায় ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।প্রায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ডিজিটাল অ্যারেস্টের খবর মিলছে।এমনকি সাইবার প্রতারণার হার সারা বিশ্বের তুলনায় ভারতে সর্বধিক বলে গণ্য হয়েছে।প্রতারণা হয়েছে লক্ষ কোটি টাকার।এছাড়াও ট্যাব কেলেঙ্কারির ঘটনাও প্রমাণ করেছে সরকারি প্রকল্পের টাকা হাতানো কতোই না সহজ।এই সকল ঘটনা রুখতেই স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের ক্ষেত্রে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে রাজ্য।প্রকল্পের নানা গড়মিল ঠেকাতে বসানো হবে AI বা বুদ্ধিমত্তার।স্বাস্থ্য দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, স্বাস্থ্যসাথী অ্যাপে ব্যবহার করা হবে জিয়ো ট্যাগিং এবং AI।কোনও রোগীর চিকিৎসা পরিষেবা কখন শুরু অথবা শেষ হচ্ছে তা যুক্ত করা হবে স্বাস্থ্যসাথী মোবাইল অ্যাপে।এর জন্য ব্যবহার হবে জিয়ো ট্যাগিং।তারপর সেই তথ্য এআই মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হবে।এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ায় রোগী বা তার পরিবারের কোনও সংযোগ থাকবে না।চিকিৎসা পরিষেবার শেষে বেসরকারি হাসপাতাল গুলি থেকে যে টাকা দাবি করা হয় সরকারের তরফে তখনই রোগী সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য খতিয়ে দেখা হবে।
এসম্পর্কে হাসপাতালগুলিকেও একাধিক নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য।বলা হয়েছে, চিকিৎসার প্রতিটি ধাপে রোগী হাসপাতালে উপস্থিত আছে কিনা তার তথ্য নির্দিষ্ট সার্ভারে পেশ করতে হবে।সেক্ষেত্রে রোগীর বর্তমান জিপিএস লোকেশন জানাতে হবে।রোগী পরিষেবার পর তার ভিডিও এবং ছবি তুলে পাঠাতে হবে স্বাস্থ্যভবনে।যে অ্যাপের মাধ্যমে এই তথ্য পাঠাতে হবে, তা হাসপাতালের ৫০ মিটার ব্যাসার্ধের বাইরে কাজ করবে না।আর ছবি, ভিডিও, জিপিএস লোকেশন একবার পাঠানো হয়ে গেলে তা এডিট করা যাবে না।ছবি, ভিডিও জাল কিনা, তা পরীক্ষা করবে এআই।রোগী পরিষেবার ক্ষেত্রে টাকা আদায়ের সময় রোগীর যাবতীয় তথ্য গড়মিলের অভিযোগ উঠে এসেছে।তাই অন্যান্য প্রকল্পের ন্যায় স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পেও যাতে কোনও জালিয়াতির ঘটনা না ঘটে সেক্ষেত্রেই এই পদক্ষেপ গ্রহণের পথে এগিয়েছে রাজ্য।সরকার স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনও বেনিয়ম ধরা পড়লে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের গাইডলাইন অনুসারে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
