সাইবার অ্যাটার্কের প্রথম স্থানে ভারত


দিন দর্পণ, কলকাতাঃ গোটা বিশ্বে সাইবার ক্রাইম খুবই দ্রুত ছড়িয়ে।সাইবার ক্রাইমের সংখ্যা প্রতিদিন বেড়েই চলছে।বিশ্বের মোবাইল ম্যালওয়ার অ্যাটার্কের ক্ষেত্রে গোটা বিশ্বের সবার উপরে রয়েছে ভারত একটি রির্পোট অনুসারে।আমেরিকা ও কানাডাকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে ভারত।এই রির্পোটের আগে তৃতীয় স্থানে ছিল ভারত, সেখান থেকে একেবারে প্রথম স্থানে।এই রিপোর্ট তৈরি করেছে ‘Zscaler ThreatLabz’. রিপোর্টের নাম ‘Zscaler ThreatLabz 2024 Mobile,IoT,and OT Threat Report’।

সারা বিশ্বের মধ্যে মোবাইল ম্যালওয়ার টার্গেটের ক্ষেত্রে ভারত সবচেয়ে উপরে রয়েছে।মোট ম্যালওয়ার হামলার ২৮ শতাংশই হয়েছে ভারতে। এর পরেই রয়েছে আমেরিকা (২৭.৩%), তৃতীয় স্থানে রয়েছে কানাডা(১৫.৯%)।এর আগে তৃতীয় স্থানে ছিল ভারত, সেখান থেকে একলাফে এক নম্বরে উঠে এসেছে ভারত।কমপক্ষে ২০ বিলিয়ন মোবাইল লেনদেন এবং সাইবার বিপদ সংক্রান্ত তথ্যের সেট পরীক্ষা করেছে এই সংস্থাটি।২০২৩-এর জুন থেকে ২০২৪-এর মে পর্যন্ত এই বিশ্লেষণ হয়।তা থেকেই উঠে এসেছে এই তথ্য।

ম্যালওয়ার অ্যাটার্ক হল একজাতীয় সফ্টওয়্যার যা কম্পিউটার অথবা মোবাইল এর স্বাভাবিক কাজকে ব্যাহত করতে, গোপন তথ্য সংগ্রহ করতে, কোনো সংরক্ষিত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় অবৈধ অনুপ্রবেশ করতে বা অবাঞ্ছিত বিজ্ঞাপন দেখাতে ব্যবহার হয়।তথ্য চুরি করা কিংবা ব্যবহারকারীর অজ্ঞাতসারে তার উপর চরসুলভ নজরদারী করার উদ্দেশ্যে ম্যালওয়্যার গোপন ভাবেও কাজ করে চলতে পারে।

মোবাইল ব্যবহার করেন যারা তাদের ফাঁকি দিয়েই ফোনে সন্দেহজনক অ্যাপ ডাইনলোড করে নেয় প্রতারকরা।এই কারণে সব থেকে বেশি বিপদে আর্থিক ক্ষেত্র।রিপোর্ট থেকে যানা যায়, বিভিন্ন ভারতীয় ব্যাঙ্কের গ্রাহকদের লক্ষ্য করে এই ম্যালওয়ার অ্যাটার্কের সংখ্যা বেড়ে চলেছে।এই ব্যাঙ্কিং ম্যালওয়ার অ্যাটার্কের সংখ্যা বেড়েছে ২৯ শতাংশ।এছাড়া মোবাইল স্পাইওয়ারের সংখ্যা বেড়েছে ১১১ শতাংশ।আর্থিক ক্ষেত্রকে লক্ষ্য করে যে অ্যাটাক চলছে, তা মাল্টিফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন-এর স্তরকে বোকা বানিয়ে হামলা চালাতে থাকে।কোনও সংস্থা ভুয়ো লগইন পেজ, ভুয়ো সোশ্যাল মিডিয়া সাইট বানিয়ে প্রতারণা চালায় প্রতারকরা।ভারতীয় ব্যাঙ্কের পাশাপাশি ভারতীয় ডাক বিভাগও সাইবার হামলার বাইরে নেই।গ্রাহকদের পার্সেলের ঠিকানা সংক্রান্ত সমস্যার কথা যানিয়ে ম্যাসেজ পাঠানো হয় এবং তাদের ব্যাঙ্কের তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হয়।সারা বিশ্বে আর্থিক প্রতারণার সংখ্যা দিন দিন বেড়ে যাওয়ার কারণে, এই রিপোর্ট উঠে এসেছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *