ডেঙ্গি প্রতিরোধে বড়ো সিদ্ধান্ত স্বাস্থ্যভবনের


দিন দর্পণ, কলকাতাঃ বর্ষা পেড়িয়ে শীত এসে গেছে এখনও ডেঙ্গির প্রভাব একই।ডেঙ্গির বিস্তার নিয়ে চিন্তা বাড়ছে সব জায়গায়।ডেঙ্গির কারণে মারা গেল উত্তর ২৪ পরগণা জেলার দুই বাসিন্দা।একজন মৃতের নাম গায়েত্রী পাত্র।ভোজেরহাটের বাসিন্দা ছিলেন।দিন পাঁচেক আগে তাঁকে নিয়ে আসা হয় বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে।সেখানে গতকাল মারা যান।আরও একজন মৃতের নাম কাশীনাথ মন্ডল।তিনি কামদুনির বাসিন্দা ছিলেন।দুইজনেরই বৃহস্পতিবার বেলেঘাটা আইডিতে মৃত্যু হয়।ডেথ সার্টিফিকেটে মৃত্যুর কারণ হিসাবে ডেঙ্গুর উল্ল্যেখ পাওয়া যায়।

দিনদিন ডেঙ্গুজনিত মৃত্যুতে চিন্তিত চিকিৎসক সহ বৈজ্ঞানিকরা।দিন যত বাড়ছে এর প্রভাবও বেড়েই চলেছে।এই রোগের দ্রুত প্রতিরোধ ও সুরক্ষার ব্যপকভাবে প্রয়োজন হলেই মনে করছেন চিকিৎসক মহল।প্রাথমিক লক্ষ্য হিসেবে মশার জনসংখ্যা হ্রাস এবং মানব মশার হ্রাস করা।ডেঙ্গু প্রতিরোধে কমিউনিটির অংশগ্রহণ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।শিক্ষামূলক কর্মসূচী এবং প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থার ব্যবহারে রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ায়।তাই ডেঙ্গু বিষয়ক সচেতনতা আরও দ্বিগুণ করা প্রয়োজনীয়।

রাজ্যে বেড়ে চলেছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা।একই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ম্যালেরিয়া সংক্রমণও।পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবার ৮ কোটি টাকার বিশেষ মশারি কিনছে স্বাস্থ্যভবন।আক্রান্তের সংখ্যা সবথেকে বেশি রাজ্যের আটটি জেলার ৩১ টি ব্লক।আলিপুরদুয়ার, বাঁকুড়া, জলপাইগুড়ি, ঝাড়গ্রাম, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, পুরুলিয়া এবং বিষ্ণুপুর স্বাস্থ্যজেলা এই জেলাগুলিতে। ™রিস্থিতি মোকাবিলায় ক্যাম্প, ওষুধপত্রের পাশাপাশি মশারি কেনার সিদ্ধান্ত নিল স্বাস্থ্যভবন।জানা গিয়েছে, ৮ কোটি টাকা খরচ করে ম্যালেরিয়া উপদ্রুত এলাকার মানুষজনের জন্য মশা মারার রাসায়নিক দেওয়া বিশেষ ধরনের ২ লক্ষ মশারি কেনা হচ্ছে।ম্যালেরিয়া পরিস্থিতি বিচার করে সবথেকে বেশি মশারি পাঠানো হচ্ছে পুরুলিয়ার বাঘমুণ্ডি, বলরামপুরের বান্দোয়ান, আরসা এবং ঝালদা ১ নম্বর ব্লক, ঝাড়গ্রামের বিনপুর ২, মালদহের ইংরেজবাজার, মুর্শিদাবাদের বহরমপুর, সামশেরগঞ্জ, লালগোলা ব্লকে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *