দিন দর্পণ, রাঁচিঃ ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন হেমন্ত সোরেন। ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার নেতা হেমন্ত চতুর্থবারের জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হলেন। তাঁর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল ইন্ডিয়া জোটের প্রায় অধিকাংশ শরিক দলই। হাজির ছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গ, কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী, এনসিপি প্রধান শারদ পাওয়ার, মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা, পাঞ্জাবের আপ মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান, হিমাচল প্রদেশের কংগ্রেস মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখু, সোরেনের শরিক দল সিপিআইএমএল নেতা দীপঙ্কর ভট্টাচার্য, আম আদমি পার্টির আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল, শিবসেনা ঠাকরে গোষ্ঠীর নেতা উদ্ধব ঠাকরে, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব ও মহাগাঁটবন্ধনের শরিক দল আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব, পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতি, তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী পুত্র উদয়নিধি স্ট্যালিন ও কর্নাটকের কংগ্রেসের উপমুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার।
ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পদে বৃহস্পতিবার হেমন্ত সোরেনের শপথ অনুষ্ঠানে ফের একবার বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের চাঁদের হাট বসল রাঁচির মোরাবাদী মাঠে।লোকসভা ও চার রাজ্যের বিধানসভা ভোটে সেয়ানে সেয়ানে টক্কর হয়েছে ইন্ডিয়া বনাম এনডিএ জোটের। সেই ভোটগুলির পর তথাকথিত কংগ্রেসের একতরফা দাদাগিরি অনেকটাই খণ্ডিত হয়েছে। চাপের মুখে রয়েছে অন্য ছোট দলগুলিও।কেবলমাত্র তৃণমূল দলের শ্রীবৃদ্ধি ঘটায় কার্যত জোটের চালকের ভূমিকায় পৌঁছে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।কারণ, অখিলেশের সমাজবাদী পার্টি সংখ্যায় এগিয়ে থাকলেও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতায় তৃণমূল নেত্রী কয়েক কদম এগিয়ে রয়েছেন।বস্তুত ইন্ডিয়া জোটের কর্তৃত্ব এখন আর রাহুল গান্ধীর হাতে নেই বলেই বিশেষজ্ঞদের একাংশের ধারনা।
