আশিক এলাহী, ০২.০৫
দিন দর্পণ ডিজিটাল ডেস্কঃ
“যে বা যারা আইন ভেঙেছে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্যে রাজীব কুমার বলেন,” কারও কোনো অভিযোগ থাকলে তা গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে। কেউ যেন আইন নিজের হাতে তুলে না নেন।” শাহজাহানের ডেরায় ঢুকে বৃহস্পতিবার সকালে এমনই মন্তব্য রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারের। বৃহস্পতিবার সকালে রাজীব কুমারের কনভয় রওনা দেয় কলকাতার উদ্দেশ্যে। সন্দেশখালির অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির ১৪ দিনের মাথায় ঘটনাস্থলে গেলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার। বুধবার রাতে বাইক নিয়ে সন্দেশখালির আনাচে-কানাচে ঘুরেছেন। এরপর থানাতে গিয়ে এডিজি সুপ্রতিম সরকার, বসিরহাটের পুলিশ সুপার হোসেন মেহেদি রহমান-সহ পুলিশের পদস্থ কর্তাদের রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। সেখান থেকে বেরিয়ে পাশেই একটি পিডব্লিউডি-র গেস্ট হাউসে সিভিক ভলান্টিয়ারদের সঙ্গে ম্যারাথন বৈঠক সারেন রাজীব কুমার। দুটি বৈঠকেই সন্দেশখালির আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি, মহিলাদের নির্যাতন সংক্রান্ত কতগুলো অভিযোগ জমা পড়েছে সেই বিষয় ছাড়াও অভিযোগের প্রেক্ষিতে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, পুলিশ এবং সিভিককর্মীরা কীভাবে কাজ করছেন, তাঁদের কোনও সমস্যা হচ্ছে কি না; তা সবিস্তারে আলোচনা হয়েছে বলেই সূত্রের খবর।
বুধবার সকাল থেকেই সন্দেশখালিতে ছিলেন রাজীব কুমার৷ সন্ধ্যায় তাঁর লঞ্চ সন্দেশখালি ঘাট থেকে বেরিয়ে মাঝপথে নদীবক্ষে মিলিয়ে যায়৷ নিভে যায় লঞ্চের আলোও। তারপর থেকেই কৌতূহল বাড়তে থাকে, কোথায় গেলেন রাজীব কুমার ? তিনি কি কোনও গোপন অভিযানে বেরিয়েছেন ? এমন প্রশ্ন যখন ঘুরপাক খাওয়ার ঠিক ২ ঘণ্টা ৫ মিনিট পর আবারও সন্দেশখালি ঘাটে ফিরে আসে ডিজিপির লঞ্চ।
সন্দেশখালির মতো উপদ্রুত এলাকায় এসে সেখানকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রাজ্য পুলিশের ডিজি’র রাত্রিবাস করা বেনজির বলেই মনে করছেন অনেকে।
